ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের শিকার পঙ্কজ দেবনাথ এমপি

ন্যাশনাল ডেস্ক | ১৯:০১, আগস্ট ২৮ ২০১৯ মিনিট

আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা) আসনের এমপি পঙ্কজ দেবনাথকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য সংঘবদ্ধভাবে প্রচারণায় নেমেছে একটি চক্র। দ্বীপউপজেলায় তুমুল জনপ্রিয় এই সাংসদকে বেকায়দায় ফেলতে বিগত দিনেও চেষ্টা চালিয়ে আসছিল চক্রটি। এবার রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে আপত্তিকর ভিডিও নতুন করে আলোচনায় আনা হয়েছে। তবে পংকজ নাথ এমপি জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন ধরে চলমান ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এবারও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাকে নিয়ে যে প্রচার হচ্ছে, সেটি অপপ্রচার।‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র তো নতুন না। এর আগেও আমাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র হয়েছে। এবারও যা হচ্ছে সেটিও ওই ধারবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ-বলেন পংকজ নাথ এমপি। তিনি আরও বলেন, এটাকে আমি তেমন কোনো বিষয় মনে করি না। কারন বিষয়টির কোনো সতত্য নেই। যদিও আমি ভিডিওটি বা ভাইরাল হওয়া বিষয়টি এখনো দেখিনি। তবে আমার পরিবার আমাকে এটা শিক্ষা দেয়নি। প্রসঙ্গত, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২৬ আগস্ট সন্ধ্যার পর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ৫ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে একজন পুরুষ ও একজন নারীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়। ভিডিওটিতে থাকা পুরুষ ব্যক্তিটিকে বিভিন্ন মহল আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা) আসনের এমপি পঙ্কজ দেবনাথ বলে প্রচার করলেও নিশ্চিত হওয়া গেছে আসলে সেটি তিনি নন। জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিটি বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খোরশেদ আলম ভুলু। তবে যে নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায় সেটি তার সাবেক স্ত্রী। খোরশেদ আলম ভুলু বলেন, এটি তিন বছরের আগের ঘটনা। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার রাজনৈতিক বিচক্ষণতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে মানহানির জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।ভাইস চেয়ারম্যান আরও বলেন, রাজনীতি করি এমপি মহোদয়ের সঙ্গে। তার কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করি, এতে অনেকেই ঈর্ষান্বিত হোন। আমার দলেরই কিছু প্রতিপক্ষ আছে যারা গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে ভিডিওটি ছড়াচ্ছে। শুধু আমাকেই নয়, এমপি মহোদয়কে নিয়েও ছড়াচ্ছে।তিনি বলেন, ঘটনাচক্রে খালেদা নামের ওই নারীকে বিয়ে করেছিলাম। পরে জানতে পারি মেয়েটির চরিত্র ভালো না। তাই তাকে তালাক দেয়ার কথা বলি। এ কারনে সেই সময় কেউ হয়তো গোপনে আমাদের অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ওই ভিডিওটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে। পরে সেই সময় ওই ভিডিওটি প্রথমবার কোন একটি পক্ষ প্রকাশ করে। তবে স্থানীয় মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ সকলের উপস্থিতিতে খোলা তালাকের মাধ্যমে ওই নারীর সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। তারপর সে তারমতো চলে গেছে, আমি আমার মতো আছি। আওয়ামী লীগের এই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বলেন, আগামী মাসের শুরুতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে, সেই নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি। এমন সময় ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে।