পটুয়াখালীতে বিএনপির দুই নেতার পাল্টাপাল্টি মামলা

জেলা প্রতিনিধি | ০১:৫৮, সেপ্টেম্বর ০৮ ২০১৯ মিনিট

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি (বিডিআরআইডিপি) আওতায় এলজিইডি একটি সড়ক নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করে। প্রায় দেড় কোটি টাকা চুক্তি মূল্যে মের্সাস নাসমুজ শাহদাত ট্রেডার্সের নামে কাজটি বাগিয়ে নেয় ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মনিরুজ্জামান টিটু। দরপত্রের চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদার সঠিক স্থানে কাজ না করে তার পছন্দের সড়ক নির্মাণ করার প্রস্তুতি নেয়। এ ঘটনায় রেজাউল ১৯ আগস্ট ওই সড়কের কাজ বন্ধে এলজিইডির নির্বাহী কৌশলীসহ চারজনকে বিবাদী করে পটুয়াখালী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করলে আদালত বিবাদীকে কারণ দশার্নোর আদেশ প্রদান করেন।
এদিকে এলজিইডি জানায়, প্রতিদ্বন্দ্বী দুই ঠিকাদার ও বিএনপির নেতা বশির উদ্দিন ও মনিরুজ্জামান টিটু সমন্বয় করে এই কাজে অংশ নেয় এবং কাজের অনুকূলে বশিরের মোটা অংকের পুঁজি খাটায়। কিন্তু টিটু প্রতারণার মাধ্যমে গোপনে অন্যের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজটি বাগিয়ে নেন। যার ফলে উভয়ের মধ্য এই দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের নেতৃত্বে সংবাদ সম্মেলন, ঝাড়ু মিছিল, বিক্ষোভ এবং মানববন্ধন পর্যন্ত করা হয়। সর্বশেষ উভয় পক্ষ উভয়কে দোষারোপ করে ১৪৩/৪৪৭/৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭ এবং ৫০৬(২)-এর ধারায় অভিযোগ এনে পৃথক মামলা দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে বশির উদ্দিন সিকদার জানান, টিটুর কাছে ইটের পাওনা টাকা রয়েছে। টাকা চাইতে গেলে সে টালবাহানা শুরু করে। এদিকে টিটু তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। এ প্রসঙ্গে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম বলেন, শুনেছি ওই কাজে বশিরের পুঁজি রয়েছে। কিন্তু টিটু গোপনে কাজটি বাগিয়ে নিয়েছে। ফলে উভয়ের মধ্য দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে। এটা তাদের ব্যবসায়ীক বিষয়, রাজনৈতিক নয়। তবুও দলের স্বার্থে তাদের ডাকা হয়েছে। এক পক্ষ ঢাকা থাকায় মীমাংসা হচ্ছে না।