ফারহানের মাস্টার-সুপারভাইজারকে গ্রেফতারের নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫:১২, জানুয়ারি ১৩ ২০২০ মিনিট

মেঘনার মাঝেরচর এলাকায় ভয়াবহ লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাতমিকভাবে দায়ী ফারহান লঞ্চের মাস্টার ও সুপারভাইজারকে গ্রেফতারের জন্য বলা হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপারকে। বিষয়টি জানিয়েছেন বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু সরকার। তিনি জানান, দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিআইডব্লিটিএ কর্তৃপক্ষ। তিনি জানান, বিআইডব্লিউটিএ’র বন্দর ও পরিবহন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলামকে প্রধান করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটিকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ(চেয়ারম্যান) বরাবর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে। রোববার ১২ (জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌঁনে একটায় বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ ও চাঁদপুরের সীমান্ত এলাকা মাঝেরচরে কুয়াশায় দিকভ্রান্ত ফারহান-৯ লঞ্চটি সামনের দিক থেকে কীর্তনখোলা লঞ্চটিকে ধাক্কা দেয়। এতে কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের যাত্রী বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার গাড়ুরিয়া ইউনিয়নের ভান্ডারিকাঠি গ্রামের রুবেল খান আব্বাসের স্ত্রী মাহমুদা (২৪) ও তার সন্তান মুমিন খান (৭) ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় আরও ৬ যাত্রী গুরুত্বর আহত হয়েছেন। আহতদের চাঁদপুর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। মেসার্স সালমা শিপিং লাইন্সের মালিকানাধীন কীর্তনখোলা লঞ্চ কোম্পানির ম্যানেজার ঝন্টু জানান-ঢাকা থেকে হুলারহাটগামী ফারহান লঞ্চটি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের মাঝ বরাবর সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে লঞ্চের নীচতলা ও দোতলার অংশ দুমড়ে-মুছরে গেছে। সংঘর্ষে কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চের উপরিভাগ ক্ষতিগ্রস্থ হলেও তলা ঠিক রয়েছে। মেসার্স আগরপুর নেভিগেশন কোম্পানীর মালিকানাধীন ফারহান-৯ লঞ্চের কেরানী আল আমিন জানান, কুয়াশার কারনে লঞ্চটি দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ঢাকা থেকে হুলারহাটগামী এ লঞ্চটির ৫-৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। ফরহান-৮ লঞ্চের মাস্টার মামুনুর রশীদ রওশন বলেন, মাঝের চরের ওই এলাকায় এর আগেও দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেখানে সরু চ্যানেল ও ডুবোচরের কারণে লঞ্চ চলাচলে সমস্যা হয়। যার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন।