ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে শুভেচ্ছা জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে জোর দিচ্ছে সরকার : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ঝালকাঠিতে মৎস্য বিভাগের অভিযানে হামলা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ আহত ৭ বরিশালে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বরিশালে নয়টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ২১৫টি পদ থাকলেও শূন্য ৭৯টি, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা নানা আয়োজনে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত কলাপাড়ায় মাছের ঘের থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার উজিরপুরে দুর্নীতির অভিযোগে ভূমি অফিসের দুই কর্মচারী প্রত্যাহার, গাড়িচালককে অব্যাহতি বরিশালে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি
  • পিরোজপুরে মাদক মামলায় একজনের ১২ বছর কারাদণ্ড

    পিরোজপুরে মাদক মামলায় একজনের ১২ বছর কারাদণ্ড
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মাদক মামলায় মো. কালাম (৩৬) নামের একজনকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে আরেক ধারায় দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

    সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম নূরুল ইসলাম আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলার অন্য সাত আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. কালাম মঠবাড়িয়া উপজেলার দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের মৃত মো. রত্তন আলীর ছেলে। 

    খালাসপ্রাপ্তরা হলেন ঝিনাইদহের মহেশপুর গ্রামের লাইজু বেগম, বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ গ্রামের নাজমা, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মিরাজ আকন, মানিক মোল্লা, ওবায়দুল, রাসেল হাওলাদার ও রিয়াজ তালুকদার। আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) জহুরুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৮ মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বড় মাছুয়া স্টিমারঘাটে অভিযান পরিচালনা করে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পি এস টার্ন স্টিমার থেকে আসেন মো. কালাম। তাকে ঘাটে পুলিশ প্রশ্ন করলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ধাওয়া করে পার্শ্ববর্তী মাঠ থেকে তাকে আটক করে। আটকের পর তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও পাঁচ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এরপর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাকি সাত আসামিকে আটক করে। ওইদিন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত বিশ্বাস বাদী হয়ে স্থানীয় থানায় একটি মামলা করেন। এ ঘটনায় ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট মঠবাড়িয়া থানার এসআই ফারুক হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করেন।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ