ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে বরিশাল সিভিল সার্জনের কালো আইন স্পিকারের সঙ্গে জাতীয়তাবাদী সমবায় দল মহানগরের আহ্বায়কের সৌজন্য সাক্ষাৎ নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব
  • ভোলায় টানা বৃষ্টিপাতে পানিবন্দি ২৫ হাজার মানুষ 

    ভোলায় টানা বৃষ্টিপাতে পানিবন্দি ২৫ হাজার মানুষ 
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    উপকূলীয় জেলা ভোলায় টানা বৃষ্টিপাতে জেলার বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে। এতে দুর্ভোগে রয়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মনপুরা উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ বৃষ্টির পানিতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়া মনপুরা ইউনিয়নের ২ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডসহ দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি আছেন। দ্রুত পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে রান্না ও ঘরের মেঝেতে পানি প্রবেশ করায় চরম দুর্ভোগে রয়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। এতে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন তারা।

    হাজিরহাটের স্থানীয় বাসিন্দা মো.আলামিন, হাসনাইন, সোহাগ ও তুহিন বলেন, গত ৫ দিনের টানা বৃষ্টিতে আমাদের বসতবাড়ির আশপাশে পানি জমতে শুরু করে। শেষমেষ আমাদের বসতঘরের মেঝেও ডুবে গেছে। কেউ খোঁজ নিতে আসেনি। আমরা গরিব মানুষ, একদিন কাজে যেতে না পারলে পেটে ভাত জোটে না। বৃষ্টির কারণে কাজেও যেতে পারছি না।

    তারা আরও বলেন, মূলত স্বাভাবিকভাবে পানি নেমে যাওয়ার পথগুলো প্রভাবশালীরা দখল করে রাখায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে আমাদের বসতঘরের রান্নার চুলা ডুবে যাওয়ায় রান্নাও হচ্ছে না। এই মুহূর্তে আমাদের প্রয়োজন দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা।

    ভোলা সদর উপজেলার রিকশা চালক মো. সোহাগ ও নাছির বলেন, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে রাস্তায় যাত্রীদের সংখ্যা কম। আগে যেখানে দৈনিক আয় করতাম ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা। এখন সেখানে আমাদের রোজকারের আয় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

    তবে জলাবদ্ধতা আমনের বীজতলা নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা। হেলাল পাটোয়ারী ও জাহাঙ্গীর বলেন, গত ৪তারিখে আবহাওয়া ভালো দেখে ৩-৫ শতাংশ জমিতে আমনের বীজতলায় বীজ বপন করেছি। যেভাবে টানা বৃষ্টি হচ্ছে সেজন্য মনে হচ্ছে না বীজতলা টিকবে। 

    মনপুরা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু মুছা বলেন, যেসব জায়গায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে তা চিহ্নিত করে পানি নিষ্কাশনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য কাজ শুরু করা হয়েছে।

    মনপুরা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক মাকসুদুর রহমান বলেন, বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনপুরায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা বৃষ্টিপাত চলছে। কখনো গুঁড়িগুঁড়ি, কখনো হালকা আবার কখনো ভারী। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ