মঠবাড়িয়ায় অস্ত্রের মুখে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ওষুধ কিনে বাড়ি ফেরার পথে ২১ বছর বয়সী এক নারীকে অপহরণ করে অস্ত্রের মুখে একটি পরিত্যক্ত ঘরে আটকে গণধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি গত ১০ সেপ্টেম্বর তুষখালী বাজার থেকে ফেরার পথে উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বুড়িরচর এলাকায় ঘটেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর অভিযোগের বরাত দিয়ে জানা যায়, ওই নারী তুষখালী বাজারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক মহাদেবের দোকান থেকে ওষুধ কিনে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় তার সঙ্গে পূর্বপরিচিত মুসা নামের এক যুবকের ফোনে যোগাযোগ হয়। মুসা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে সেখানে গিয়ে ওই নারীকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সঙ্গে নেন।
অভিযোগ রয়েছে, পথে মুসার আরও কয়েকজন সহযোগী ওই নারীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বুড়িরচর এলাকায় মুসার বাড়ির সংলগ্ন কবির আকনের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে আটকে রেখে গণধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
একপর্যায়ে ওই নারী চিৎকার শুরু করলে আশপাশের স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন। এ সময় অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় এবং স্থানীয়রা ওই নারীকে উদ্ধার করেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় ইউপি সদস্য তাকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই নারী অবিবাহিত থাকাকালে পার্শ্ববর্তী ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বুড়িচর এলাকার মুসার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে ওই নারীর অন্যত্র বিয়ে হয় এবং তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর মঠবাড়িয়া থানায় ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মো. রবিউল ইসলাম জানান, তদন্ত করে আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এইচকেআর