জুনিয়র বৃত্তির ফল প্রকাশ, নির্বাচিত ৪৬২০০ জন

দীর্ঘ ১৭ বছর পর অনুষ্ঠিত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দুই ক্যাটাগারিতে নির্বাচিত হয়েছে ৪৬ হাজার ২০০ জন। এরমধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে পেয়েছে ৩১ হাজার ৫০০ জন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল প্রকাশের ঘোষণা দেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশিত ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, এবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ড থেকে সারাদেশে মোট ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬০ জন শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছে ৪৬ হাজার ২০০ জন। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে পেয়েছে ৩১ হাজার ৫০০ জন।
বোর্ডভিত্তিক বৃত্তির সংখ্যা
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ৩ হাজার ৬৩৫ এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৭ হাজার ৭৯০ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ৯৬৭ ও সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২,০৭৩ জন বৃত্তি পেয়েছে।
রাজশাহী বোর্ডে ট্যালেন্টপুলে ১ হাজার ৯২৬ জন এবং সাধারণ ৪ হাজার ১২৮ জন; কুমিল্লায় ট্যালেন্টপুলে ১ হাজার ৬৭৭ জন এবং সাধারণ ৩ হাজার ৫৯৩ জন; সিলেটে ট্যালেন্টপুলে ৯৪৮ এবং সাধারণ বৃত্তি ২ হাজার ৩০ জন, বরিশালে ট্যালেন্টপুলে ৮৭৩ জন এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ১ হাজার ৮৭১ জন।
এছাড়া যশোরে ট্যালেন্টপুলে ১ হাজার ৬৬২ এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৩ হাজার ৫৬১ জন; চট্টগ্রামে ট্যালেন্টপুলে ১ হাজার ২১০ জন এবং সাধারণ বৃত্তি ২ হাজার ৫৯৩ জন; দিনাজপুরে ট্যালেন্টপুলে ১ হাজার ৮০২ জন এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৩ হাজার ৮৬১ জন।
ফল দেখা যাবে যেভাবে
অনলাইন পদ্ধতি: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল (২০২৬) দিলেই ফল দেখা যাবে।
এসএমএস পদ্ধতি: মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর এবং সাল টাইপ করে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে দিলেই ফিরতি মেসেজে রেজাল্ট জানা যাবে।
কারা কত টাকা পাবে
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসিক ৪৫০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা করে পাবে। এ বৃত্তির টাকা দুই বছর (নবম-দশম) পর্যন্ত দেওয়া হবে। এছাড়া তাদের বছরে এককালীন অর্থও দেওয়া হবে।
গত বছরের ২৮ থেকে ৩০ ডিসেম্বর ও চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি পরীক্ষাগুলো নেওয়া হয়। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়।
এইচকেআর