ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পুলিশের হেফাজত থেকে কয়েকঘন্টা পর মুক্তি পেলেন জাপা নেতা হাবুলসহ ৬ জন ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বিএনপি নেতা জিয়া সিকদার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ'লীগ নেতা হিরশিৎ ও সঞ্জিত মন্ডল বিরুদ্ধে সাতলায় মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ   ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৩৪৯০ যাত্রী মমতা ব্যানার্জীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রিট হাইকোর্টের কার্যতালিকা থেকে বাদ মার্কিন অস্ত্রেও সুরক্ষা নেই, সৌদি আরবকে নাস্তানাবুদ করছে হুথিরা কলাপাড়ায় গর্ভবতী নারীকে মারধর ও সন্তান হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের প্রভাবে ঢাক-ঢোল কারিগরদের ব্যবসায় ভাটা
  • ভাইরাল ভিডিওতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, আরেক আসামি ব্যাংক ম্যানেজার

     ভাইরাল ভিডিওতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, আরেক আসামি ব্যাংক ম্যানেজার
    ছবি: সংগৃহীত 
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে উল্টো মামলার আসামি হয়েছেন রাজধানীর লক্ষীবাজার শাখার ব্যাংক ম্যানেজার মো. জহিরুল ইসলাম সুমন। একই ঘটনায় প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রকাশ করায় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধেও মানহানির মামলা করা হয়েছে।

    জানা যায়, গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লক্ষীবাজার এলাকায় সোনালী ব্যাংকের শাখায় ৭৫ হাজার টাকা পাঠাতে আসেন ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. শাহারিয়া খানম। তবে ৫০ হাজার টাকার বেশি লেনদেনে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি বাধ্যতামূলক হওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তারা তা জমা দিতে বলেন। অভিযোগ রয়েছে, পরিচয়পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন এবং এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

    পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসেন শাখা ব্যবস্থাপক মো. জহিরুল ইসলাম সুমন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এক পর্যায়ে তাকে নিজ কক্ষে অবরুদ্ধ করে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া টাকা জমা নিতে চাপ দেওয়া হয়। পরে এক গ্রাহকের সহায়তায় তিনি কক্ষ থেকে বের হতে পারেন।

    পরে এ ঘটনাকেই ‘শ্লীলতাহানি’ অভিযোগ হিসেবে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে লিখিতভাবে জানান ডা. শাহারিয়া। এতে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন শাখা ব্যবস্থাপক।

    ঘটনার প্রায় ১৬ দিন পর সাংবাদিক মো. মিজানুর রহমান (মাসুম মিজান) বিষয়টি অনুসন্ধান করে সিসিটিভি ফুটেজসহ একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে এবং কয়েক মিলিয়ন ভিউ পায়।

    এদিকে সোনালী ব্যাংকের গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে। তবে পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ম্যানেজারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় আদালতে মানহানির মামলা করেন ডা. শাহারিয়া খানম। মামলায় ভিডিও প্রকাশের অভিযোগে সাংবাদিককেও আসামি করা হয়।

    ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের হওয়া মামলাটির তদন্ত করে সুত্রাপুর থানা পুলিশ। গত ৫ মার্চ আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে পুলিশ জানায়, ভিডিওটি সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব থেকেই প্রকাশ করেছেন এবং ব্যাংকারের সঙ্গে তার কোনো যোগসাজশের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    তবে তদন্ত প্রতিবেদনের শেষাংশে বাদীর অভিযোগ ‘প্রাথমিকভাবে সত্য প্রতীয়মান’ উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. শাহারিয়া খানম গণমাধ্যমকে বলেন বলেন, “আমি সামাজিকভাবে হেয় হয়েছি। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। আমার আইনজীবি বিষয়টি দেখভাল করছেন। পরের প্রক্রিয়া আদালত নিবে।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ