হেলিকপ্টারে ভোলায় যাচ্ছে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ: জানাজা বাদ জোহর

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে তার গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সেখানে ভিড় করছেন স্থানীয়সহ তার আত্মীয়-স্বজনরা। এরই মধ্যে তোফায়েল আহমেদের কবর খোঁড়ার কাজ শুরু হয়েছে।
তোফায়েল আহমেদের ভাগনী জামাই জাহিদুল হক শুভ ও দুঃসম্পর্কের নাতি মো. কামাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকক্টারে করে মরদেহ ভোলায় নিয়ে আসা হবে। হেলিকক্টরটি ভোলার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে এসে নামবে। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ভোলা বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিয়ে যাওয়া হবে। জোহর বাদ তোফায়েল আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে সেখান থেকে তার গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর তার মা-বাবা ও স্ত্রীর কবরের পাশে দাফন করা হবে। তবে গ্রামের বাড়িতেও জানাজা অনুষ্ঠিত হতে পারে।
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ। সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি মারা যান।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযোদের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ডাকসুর ভিপি ছিলেন। তিনি ৯ বারের সংসদ সদস্য ছিলেন। কয়েকবার মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম ছিলেন ও সর্বশেষ উপদেষ্টা মণ্ডলির সদস্য ছিলেন।
এইচকেআর