বাবুগঞ্জে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আমন আবাদ

বরিশাল জেলার মধ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলায় আয়তনের তুলনায় একক ভাবে বেশি আমন আবাদ হয়। চলতি বছরে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ৯৫৫৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও চুড়ান্ত আবাদ হয়েছে ৯৬০০ হেক্টর জমিতে বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৫ হেক্টর বেশি জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। এ বছর উপজেলায় ২৪ হাজর ৭ শত মে.টনের বেশি উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রাকৃতিক দূর্যোগের কবলে না পরলে উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তারা। তবে অপরিকল্পিতভাবে ফসলী জমিতে ভবন তৈরি, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান খোলা ও ফসলী জমি ক্রয় করে প্লট বানিয়ে বিক্রির ফলে ভবিষ্যতে চাষ যোগ্য জমি কমে আশায় দুশ্চিন্তায় রয়েছে কৃষি বিভাগ।
চাঁদপাশা ইউনিয়নের ঘটকেরচর গ্রামের কৃষক বাবুল হাওলাদার জানায়, ‘আমি ২০শতক জমিতে আমন ধান চাষ করেছি। সার, বীজ, কীটনাশক, ক্ষেত প্রস্তুত ও বিবিধ খরচ মিলিয়ে ২০শতক জমিতে প্রায় ৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আশা করছি ৯-১০মন ধান সংগ্রহ করতে পারবো। বর্তমানে বাজারে প্রতি মন ধান ৯শত থেকে ১হাজার টাকায় বিক্রি হয়। দূর্যোগের কবলে না পরলে আশা করছি ভালো ফলন ঘরে তুলতে পারবো।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহ মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আমরা সার্বক্ষনিক কৃষকদের মাত্রাতিরিক্ত সার, কীটনাশক প্রয়োগে নিষেধ ও সচেতন করছি। আলোক ফাঁদ তৈরি করে পোকামাকড় দমনে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, এখন পর্যন্ত আমনের জন্য আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। আমাদের উপ-সহকারিরা প্রতিনিয়ত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। আলোক ফাঁদ তৈরি করে ক্ষতিকর পোকা দমনে কাজ করছে তারা। এবারে ধানের ফলন ভালো । কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে বাবুগঞ্জ উপজেলায় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
এইচকেআর