মেধাবী শিক্ষার্থীকে কম্পিউটার দিলেন জেলা প্রশাসক

স্বল্পোন্নত দেশকে উন্নয়নশীলে রূপান্তরিত করতে উদ্দীপকের অন্যতম ভূমিকায় রয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে শরীর ধরলে শিক্ষা উপকরণ কম্পিউটার তার হৃদস্পন্দন। কিন্তু উপকরণটি এখনো সকল শিক্ষার্থীর পরিবারের ক্রয়সাধ্য হয় নি। তাই তো অনেকেই বঞ্চিত হচ্ছে যুগ পরিবর্তনকারী এই বিস্ময়কর বস্তুটির উপকার প্রাপ্তি থেকে।
সামান্য মুদি দোকান কর্মচারীর মেধাবী, বুদ্ধিমান ও পরিশ্রমী একমাত্র মেয়ে দীপান্বিতা রায়, দারিদ্র্য দমাতে পারেনি তাকে। ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী তিনি। পড়াশোনার সহযোগিতায় ল্যাপটপ যখন অবশ্যম্ভবী হয়ে পড়ে, তখনও টিউশনি এবং বৃত্তির টাকাগুলো জোড়া লাগিয়ে গন্তব্য অব্দি পৌঁছানো যায় না। বুদ্ধিগুণে দ্বীপান্বিতা ছুটে আসেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার’র কাছে। জেলা প্রশাসক দায়িত্ব দিলেন সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা গ্রহণের। সত্যতা নিশ্চিত করলে জেলা প্রশাসক নিজেই দ্বীপান্বিতার হাতে তুলে দিলেন তার কাঙ্খিত ল্যাপটপ। পূরণ হলো স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে একধাপ এগিয়ে চলা।
এভাবেই হাজারো দ্বীপান্বিতাকে ছোট ছোট স্বপ্ন বুননের কারিগর হিসেবে জেলা প্রশাসনের সুযোগ্য কর্ণধারেরা দেশকে পৌঁছে দেবেন উন্নয়নের স্বর্ণশিখরে৷
মেধাবী শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ প্রদানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রবেশন অফিসার সাজ্জাদ পারভেজ প্রমুখ।
এমবি