ঢাকা বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বিসিসির সাবেক জনপ্রিয় কাউন্সিলর সৈয়দ জাকির হোসেন জেলালের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কোরবানির পশুর হাটে মহিষের গুঁতায় দুই ক্রেতা নিহত দাঁতের যন্ত্রণায় ছটফট করছেন নেতানিয়াহু, নেয়া হলো হাসপাতালে বরগুনায় দুর্গন্ধ থেকে মিললো অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত লাশ বরিশালে বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় মা-বাবা ও শিশু সন্তান নিহত বরিশালের বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডা. সৈয়দ হাবিবুর রহমান আর নেই বরিশাল নগরীর সাগরদীতে ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসা, গ্রেপ্তার ৪ পাথরঘাটায় সাবেক মেয়র আনোয়ার গ্রেপ্তার টানা তাপপ্রবাহে ভারতের এক রাজ্যে ১৬ জনের মৃত্যু বরিশালে কদর বেড়েছে  তেঁতুল গাছের খাটিয়ার
  • বরাদ্দকৃত টাকার হিসাব চাওয়ায়

    বিদ্যালয় সভাপতিকে লাঞ্ছিত করলো সহকারী শিক্ষক

    বিদ্যালয় সভাপতিকে লাঞ্ছিত করলো সহকারী শিক্ষক
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরগুনার বামনা উপজেলার ৫৬ নং চলাভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক মো. আঃ হাই দীর্ঘ দিন থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি বিদ্যালয়ের বিপুল পরিমান অর্থ লুটপাট করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন একই বিদ্যালয়ের সভাপতি আসমা আক্তার।

    আসমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন,  শনিবার (৩০ অক্টোবর) বিদ্যালয় হল রুমে ম্যানেজিং কমিটির সভা চলাকালিন আমি তার কাছে বিদ্যালয়ের আর্থিক হিসাব জানতে চাইলে আমিসহ সকল সদস্যদের সাথে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অসৌজন্য মূলক আচারন করে সভা পন্ড করে দেন। সভায় ২০২০-২১ অর্থ বছরের ক্ষুদ্র মেরামত ও স্লিপের বরাদ্দ কৃত টাকার খরচের হিসাব জানতে চাইলে হিসাব না দিয়ে সে সকল সদস্যদের সামনে আমার সাথে উত্তেজিত হন। তার ব্যবহারকৃত ডাইরী ও খাতা ছুড়ে ফেলে দিয়ে আমাকে লাঞ্ছিত করেন। এ সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হুমকি দিয়ে বলেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আমার কোন কাজে লাগে না। আপনি সভাপতি আর বিদ্যালয়ে আসবেন না। বিদ্যালয়ের নামে বরাদ্দকৃত অর্থ বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব থেকে উত্তোলন না করে আঃ হাই নিজ ব্যাংক হিসাবে জমা রেখে ইচ্ছে মত খরচ করেছেন।
    বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আসমা আক্তার আরো জানান, আমাকে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি আমি বামনা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি।

    এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আঃ হাই বলেন, আমি কোন আর্থিক অনিয়ম করিনি। শনিবার বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভা সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। স্কুল শুরু থেকে আমি অনেক অর্থ ব্যয় করেছি তাই পরিচিতি বোর্ডে আমার নামের সামনে প্রধান শিক্ষক লিখেছি। আমি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ছিলাম, যা আমার সার্ভিস বুকে লেখা রয়েছে।
    এ ব্যাপারে বামনা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা নির্মল চন্দ্র শীল বলেন, আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।

     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ