ঢাকা রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বাসসের সিএনই মানিকুল আজাদের মায়ের মৃত্যুতে বরিশাল প্রেসক্লাবের শোক ঈদুল আজহায় বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না : মালিক সমিতি নবদিগন্তের সূচনা, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে জনগণ আবারও রাজপথে নামবে: হেলাল বরিশালে মে দিবসের সমাবেশে শ্রমিকের মজুরি ও নিরাপত্তা নিয়ে ক্ষোভ সব থানাকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনে বিএনপি কখনোই একমত হয়নি: মির্জা ফখরুল মঠবাড়িয়ায় তালাবদ্ধ ঘর থেকে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার ঝালকাঠিতে পুলিশ সদস্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর লাশ উদ্ধার কলাপাড়ায় ফ্যানের সাথে ফাঁস দিয়ে নারী কনস্টেবলের আত্মহত্যা
  • লালমোহনে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন করতে অসাধু মহলের তৎপরতা

    লালমোহনে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন করতে অসাধু মহলের তৎপরতা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    অব্যাহত জমি দখলের চেষ্টা, নতুন ভবন নির্মাণে পদে পদে বাধা, অব্যাহত উন্নয়ন রুখতে না পেরে বিদ্যালয়ের প্রধানের বিরুদ্ধে নানান অপবাধের অভিযোগ, এখনই রুখতে হবে প্রেতাত্মাদের- মতামত সচেতন মহলের। ভোলার লালমোহনে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ ৭নং ওয়ার্ড মধ্যপেশকার হাওলা হাকিমিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৮৬ সালে লালমোহন ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দানশীল শিক্ষানুরাগী আঃ হাকিম মুন্সি (দাইমুদ্দিন) ৫০ শতক জমি দান করেন ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেন।

    বর্তমানে তার ওয়ারিশ ও অসাধু ব্যক্তিদের কুপ্ররোচনায় স্কুলের দখলীয় জমি অনিষ্ট ও অপব্যবহার করার জন্য বিভিন্ন ভাবে পাঁয়তারা করছে এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের কে বিভিন্ন সময়ে নাজেহাল কটুক্তি করে অপমান অপদস্ত করে যাচ্ছে। এর পিছনে রয়েছে একই এলাকার প্রভাবশালী ও বিদ্যালয়ের সাবেক ২ বারের সভাপতি আঃ বারেক।

    তার ২ বারের সভাপতি থাকাকালীন বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিষ্ট ক্ষতি সাধন হয়। বিধি মোতাবেক তার সভাপতিত্ব চলে গেলে পর্দার অন্তরালে থেকে স্থানীয় বখাটেদের দিয়ে শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে যা যা করণীয় তা চালিয়ে যাচ্ছে।

    অপরদিকে বিদ্যালয়টির কচিকাঁচা ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার মান ও ছাত্র ছাত্রীদের কথা বিবেচনা করে সরকারের সহায়তায় ২ টি নতুন ভবন তৈরী হয়। যা দেখে অনেকের চক্ষুসূল হয়ে পড়েন বিদ্যালয়ের সার্বক্ষণিক শ্রমদেয়া ব্যক্তি প্রধান শিক্ষক মো. শাহাজাহান মাস্টার। শুরু হয় তার বিরুদ্ধে নয়া কৌশল, যে ভাবে তাকে এই বিদ্যালয় থেকে তাড়ানো যায়। তাড়াতে পারলে বিদ্যালয়টি লুটেপুটে খেতে পারবে অসাধু চক্রটি।

    বিদ্যালয়ের এই প্রধানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় সাংবাদিকদেরকে ভুলবুঝিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে এই চক্রটি। বিদ্যালয়ের প্রবেশের পথের সামনে জোর জবর করে দোকান তোলেন ইব্রাহীমের ছেলে আমজাদ হোসেন মুরাদ। প্রধান শিক্ষকের কোন বাধাই মানেননি মুরাদ। দোকান দেয়ার ফলে বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণি ও ৫ম শ্রেণির ছাত্রীদের ইভটিজিং করার সম্ভাবনা রয়েছে। যা এলাকার সচেতন মহলের দৃষ্টিতে বাধে। এছাড়া বিদ্যালয়ের ৫০ শতক ভূমি থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়টি বর্তমানে ৩৩ শতক ভূমির উপর দাঁড়িয়ে আছে। বাকী সম্পদগুলো দাতার ওয়ারিশগণ জোর করে দখল করে আছেন।

    বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে স্কুল চলাকালীন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে কিছু বখাটেরা। প্রধান শিক্ষক তাদের বাধা দিলে কোন বাধাই তারা মানছে না। এ ব্যাপারে অসহায় প্রধান শিক্ষক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

     


    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ