ঢাকা মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ঝালকাঠিতে ১২০ গাছ কাটার পর স্থগিত ২ হাজার গাছ কাটার প্রকল্প দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ ইরানের হামলায় ইসরায়েলে নিহত ১২, আহত প্রায় ৩ হাজার
  • লালমোহনে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন করতে অসাধু মহলের তৎপরতা

    লালমোহনে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন করতে অসাধু মহলের তৎপরতা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    অব্যাহত জমি দখলের চেষ্টা, নতুন ভবন নির্মাণে পদে পদে বাধা, অব্যাহত উন্নয়ন রুখতে না পেরে বিদ্যালয়ের প্রধানের বিরুদ্ধে নানান অপবাধের অভিযোগ, এখনই রুখতে হবে প্রেতাত্মাদের- মতামত সচেতন মহলের। ভোলার লালমোহনে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ ৭নং ওয়ার্ড মধ্যপেশকার হাওলা হাকিমিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৮৬ সালে লালমোহন ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দানশীল শিক্ষানুরাগী আঃ হাকিম মুন্সি (দাইমুদ্দিন) ৫০ শতক জমি দান করেন ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেন।

    বর্তমানে তার ওয়ারিশ ও অসাধু ব্যক্তিদের কুপ্ররোচনায় স্কুলের দখলীয় জমি অনিষ্ট ও অপব্যবহার করার জন্য বিভিন্ন ভাবে পাঁয়তারা করছে এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের কে বিভিন্ন সময়ে নাজেহাল কটুক্তি করে অপমান অপদস্ত করে যাচ্ছে। এর পিছনে রয়েছে একই এলাকার প্রভাবশালী ও বিদ্যালয়ের সাবেক ২ বারের সভাপতি আঃ বারেক।

    তার ২ বারের সভাপতি থাকাকালীন বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিষ্ট ক্ষতি সাধন হয়। বিধি মোতাবেক তার সভাপতিত্ব চলে গেলে পর্দার অন্তরালে থেকে স্থানীয় বখাটেদের দিয়ে শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে যা যা করণীয় তা চালিয়ে যাচ্ছে।

    অপরদিকে বিদ্যালয়টির কচিকাঁচা ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার মান ও ছাত্র ছাত্রীদের কথা বিবেচনা করে সরকারের সহায়তায় ২ টি নতুন ভবন তৈরী হয়। যা দেখে অনেকের চক্ষুসূল হয়ে পড়েন বিদ্যালয়ের সার্বক্ষণিক শ্রমদেয়া ব্যক্তি প্রধান শিক্ষক মো. শাহাজাহান মাস্টার। শুরু হয় তার বিরুদ্ধে নয়া কৌশল, যে ভাবে তাকে এই বিদ্যালয় থেকে তাড়ানো যায়। তাড়াতে পারলে বিদ্যালয়টি লুটেপুটে খেতে পারবে অসাধু চক্রটি।

    বিদ্যালয়ের এই প্রধানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় সাংবাদিকদেরকে ভুলবুঝিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে এই চক্রটি। বিদ্যালয়ের প্রবেশের পথের সামনে জোর জবর করে দোকান তোলেন ইব্রাহীমের ছেলে আমজাদ হোসেন মুরাদ। প্রধান শিক্ষকের কোন বাধাই মানেননি মুরাদ। দোকান দেয়ার ফলে বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণি ও ৫ম শ্রেণির ছাত্রীদের ইভটিজিং করার সম্ভাবনা রয়েছে। যা এলাকার সচেতন মহলের দৃষ্টিতে বাধে। এছাড়া বিদ্যালয়ের ৫০ শতক ভূমি থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়টি বর্তমানে ৩৩ শতক ভূমির উপর দাঁড়িয়ে আছে। বাকী সম্পদগুলো দাতার ওয়ারিশগণ জোর করে দখল করে আছেন।

    বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে স্কুল চলাকালীন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে কিছু বখাটেরা। প্রধান শিক্ষক তাদের বাধা দিলে কোন বাধাই তারা মানছে না। এ ব্যাপারে অসহায় প্রধান শিক্ষক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

     


    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ