ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • কাশিপুরে গ্যাসের গোডাউন থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার মাল‍ামাল চুরি  এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে থাকা পুকুর পরিষ্কারের উদ্যোগ বাকেরগঞ্জে স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধের জেরে যুবকের আত্মহত্যা ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেতে পারে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বরিশালে ‍ইয়াবাসহ চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য ও তার স্ত্রী গ্রেফতার মঠবাড়িয়া পৌর শহরে সিসিটিভি ক্যামেরা অচল, অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে  লাইসেন্স না থাকায় কুয়াকাটায় হোটেল মালিককে কারাদণ্ড পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে বরিশাল সিভিল সার্জনের কালো আইন স্পিকারের সঙ্গে জাতীয়তাবাদী সমবায় দল মহানগরের আহ্বায়কের সৌজন্য সাক্ষাৎ নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন
  • নারী চিকিৎসক খুন: সন্দেহ সাবলেটে থাকা মডেল কানিজের দিকে

    নারী চিকিৎসক খুন: সন্দেহ সাবলেটে থাকা মডেল কানিজের দিকে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজধানীর কলাবাগানে গ্রিন লাইফ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সাবিরা রহমান লিপির মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধারের ৩৫ ঘণ্টা পর গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে।

    নিহত ডা. সাবিরার মামাতো ভাই রেজাউল হাসান জুয়েল বাদি হয়ে কলাবাগান থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদি ওই বাসার সাবলেটে থাকা মডেল কানিজ সুর্বণাকে সন্দেহ করেছে। কানিজ এবং এক থেকে দুইজন মিলে লিপিকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলে মামলার এজাহারে বাদি অভিযোগ করেছেন। মামলায় অন্য সাবলেটে থাকা নূরজাহানকে বাদি সন্দেহ করেননি। কারণ তিনি ঘটনার দিন ছিলেন না। তিনি ঈদে গ্রামের বাড়ি গিয়ে আর আসতে পারেননি।

    সূত্র জানায়, কানিজ ওয়ার্ল্ড ইউনিভারসিটি থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন। তিনি মডেলিং এর পাশাপাশি দারাজ অনলাইনে কাজ করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কানিজ লিপির ভাড়া বাসায় সাবলেটে উঠেছিলেন। তিনি এখন ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশের হেফাজতে আছেন। তবে মামলার তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে, ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। তবে ওই বাসায় দীর্ঘদিন থাকার কারণে ডা. লিপির বাসায় কে? যাতায়াত করতেন তিনি তা জানতেন। 

    তবে রবিবার রাত ১০ টার দিকে লিপির কাছে কে? এসেছিলেন তা কানিজ তাকে দেখেনি বলে দাবি করেছেন। পুলিশের হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটককৃতরা এ খুনের সঙ্গে জড়িত নয় বলে বার বার দাবি করেছে। তদন্তকারীরা হত্যাকারীকে চিহ্নিত করার জন্য বাসার দরজার ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করেছে। এছাড়াও ভিকটিমের বাসা থেকে ৬ বাসার পর যে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করেছিল ডিবি পুলিশ সে ফুটেজ থেকে খুনিকে চিহ্নিত করা যায়নি।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ