ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • এবার পাঠ্যবইয়ে নৌকাকাণ্ডে অভিযুক্ত ইকবাল হায়দার ওএসডি  ছেলের মৃত্যুর কারণ জানেন না বাবা, মাঝেমধ্যে ‘আশঙ্কার’ কথা বলতেন তাহসিফ  বরিশাল নগরীতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আইনজীবী নিহত রাজাপুরে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যুবককে হত্যার অভিযোগ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জন নিহত মাসুদ সাঈদীর ইস্তাম্বুলসহ কুয়াকাটায় তিন হোটেলের নির্মাণকাজ বন্ধ  বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে: বিসিসি প্রশাসক  মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খুলে পড়ল চলন্ত ফ্যান বরিশালে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত  ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে শুভেচ্ছা
  • কুয়াকাটায় আকাশের নিচে আড়াই হাজার মানুষের বাস

    কুয়াকাটায় আকাশের নিচে আড়াই হাজার মানুষের বাস
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সাগরকন্যা খ্যাত সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় তৃতীয় দিনের মতো উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। নির্বাহী কর্মকর্তা শংকর চন্দ্র বৈদ্যের নেতৃত্বে রোববার বেড়িবাঁধের বাইরের অংশে এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

    পটুয়াখালী জেলার করাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ৩৯৫টি ঘর উচ্ছেদের আওতায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে কুয়াকাটায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। আগে পূর্নবাসন নিশ্চিত করে উচ্ছেদ চালানোর দাবি জানিয়েছেন বেড়িবাঁধ এলাকার বাসিন্দারা। কুয়াকাটা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাবের আহমেদ বলেন, হঠাৎ করে উচ্ছেদ অভিযান চালানোয় মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। দুই-আড়াই হাজার মানুষ ঘরের বাইরে রাত কাটিয়েছে। জনগণের দাবি আগে পূর্নবাসন করা হোক। নয়তো মানুষ যাবে কোথায়? 

    সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিল মোসাম্মৎ রেহানা বলেন, উচ্ছেদ হচ্ছে অনেক পরিবারের। এদের আগে পূর্নবাসন করা উচিত ছিল। জনগণ সবাই আমাদের কাছে ছুটে এসেছে। কিন্তু কী বলবো? আমার নিজের ঘরও সরিয়ে নিচ্ছি। কিছুটা সময় দিলে মানুষ ভালোভাবে যেতে পারতো। এখন সবাই অসহায় হয়ে পড়েছে। 

    বাসিন্দা নাসরিন বলেন, আমার কিছু নেই। অন্যের ঘরে ছিলাম। হঠাৎ জানলাম ঘর ছেড়ে যেতে হবে। এখন আমরা কি করব বুঝতেছি না। আমার মাথা গোঁজার কোনো জায়গা নেই। আছিয়া বলেন, সরকার আমাদের জমি থেকে নামিয়ে দেবে ভালো কথা। কিন্তু আমাদের একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই দিক।  সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে পূর্ব ও পশ্চিম দিকে উচ্ছেদ চালিয়ে অবৈধ দোকান, ঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ভেঙে ফেলা হয়েছে অর্ধশতাধিক গাছ। আর সকাল থেকে পূর্ব দিকের বাসিন্দারা নিজের ঘর খুলে রাখছেন। কিন্তু ঘরগুলো খুলে কোথায় নিবেন তাঁর নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না। ফলে বেড়িবাঁধের ঢালে তৈজসপত্র, ঘরের ছাউনি, বেড়া নিয়ে বসে আছেন। 

    পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন, কুয়াকাটা মহাপরিকল্পনার আওতায় প্রশাসন মনে করছেন বেড়িবাঁধের বাইরে কোনো বাসিন্দার বসত থাকবে না। যারা ওখানে ছিলেন তাঁরা প্রায় ৭০ বছর ধরে ওখানে ছিলেন। এদেরকে সরকার পূর্নবাসন করবেন। কিন্তু কখন কিভাবে করবেন সেটা আমি বলতে পারছি না। 

    কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শংকর চন্দ্র বৈদ্য বলেন, কুয়াকাটা সৈকত সংলগ্ন ১নং খাস খতিয়ানের জমিতে উচ্ছেদ অভিযান চলছে গত তিনদিন ধরে। যারা উচ্ছেদের আওতায় এসেছে তাঁরা ভূমিহীন হলে অবশ্যই পূর্নবাসন করা হবে।
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ