ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • বিচারকের সামনে কাঁদলেন এ্যানি, ‘আমি কি চোর না ডাকাত’

    বিচারকের সামনে কাঁদলেন এ্যানি, ‘আমি কি চোর না ডাকাত’
    আদালত থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর আজ বুধবার তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রশিদুল আলমের আদালতে তোলা হয়।

    এসময় শুনানিতে এ্যানি কিছু বলবেন কি না জানতে চান বিচারক। তখন তিনি বিচারকের সামনে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমি রাজনীতি করি। কোনো অপরাধ করলে গ্রেফতার করবে। কিন্তু আমাকে থানায় নিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা কোন যুগে বসবাস করছি। আমি কি চোর, না ডাকাত? আমি এর বিচার চাই।

    এরপর শুনানি শেষে বিচারক এ্যানির জামিন নামঞ্জুর করে চারদিনের রিমান্ড দেন। এর আগে তাকে ধানমন্ডি মডেল থানায় করা মামলায় তদন্তের জন্য সাতদিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শাহিদী হাসান। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।


    ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ ইসলাম বলেন, বিএনপি নেতা এ্যানির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। মামলা দুটির মধ্যে একটি ধানমন্ডি থানায় করা, আর অপরটি লক্ষ্মীপুরে করা।


    ধানমন্ডি থানায় করা মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ মে সিটি কলেজের সামনে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় ১০-১৫ হাজার নেতাকর্মী পদযাত্রা করেন। এরপর সমাপনী বক্তব্য শেষে চলে যাওয়ার আগে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, ইট-পাটকেল ও ককটেল নিয়ে পুলিশের সরকারি কাজে বাধাদান, পুলিশের ওপর আক্রমণ, সরকারকে উৎখাত ও জনসাধারণের জানমালের ক্ষতিসাধন, গণপরিবহন ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড শুরু হয়।


    মামলায় আরও বলা হয়, এসময় পুলিশ বাধা দিলে তাদের ওপর হামলা করে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ অফিসার ও সদস্যরা আহত হন।
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ