ঢাকা মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

Motobad news

বরগুনায় নিখোঁজের ১৭ দিন পর নদীতে মিলল ট্রলার মালিকের মরদেহ

 বরগুনায় নিখোঁজের ১৭ দিন পর নদীতে মিলল ট্রলার মালিকের মরদেহ
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

বরগুনায় নিখোঁজের ১৭ দিন পর নদী থেকে গোলাম মোস্তফা শিকদার (৭৯) নামে এক ট্রলার মালিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি বরগুনা পৌর শহরের গ্রীন রোড নামক এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। 

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার নলটোনা নামক এলাকার বিষখালী নদীর তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। 

পুলিশ ও স্বজন সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ জানুয়ারি রাতে বিষখালী নদীতে একটি ছোট মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে বের হন গোলাম মোস্তফা শিকদার। তিনি প্রায় সময়ই শখের বসে নদীতে মাছ ধরতেন। তবে ওইদিন রাতে বের হয়ে তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। পরে স্বজন ও স্থানীয় জেলেরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে পরেরদিন সকালে মাছ ধরার নৌকাটি এবং জাল পেলেও সন্ধান মেলেনি মোস্তফা শিকদারের। পরবর্তীতে বিষয়টি পুলিশকে জানালে নিখোঁজের ১৭ দিন পর সদর উপজেলার নলটোনা ইউনিয়নের বিষখালী নদীর তীর থেকে ভাসমান অবস্থায় মোস্তফা শিকদারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

নিহত মোস্তফা শিকদারের জামতা মো. মাসুদ বলেন, আমার শ্বশুর প্রায় এক মাস আগে একবার হার্ট অ্যাটাক করেছিল। পরে তার হার্টে একটি রিং পরানো হয়। এরপর তিনি সুস্থ হয়ে গত ৩১ তারিখ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। 

মোস্তফা শিকদারের ছেলে গোলাম রাব্বি মিঠু বলেন, আমার বাবার সঙ্গে কারো কোনো বিরোধ ছিল না। নিখোঁজের ১৭ দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যেহেতু কারো সাথে কোনো বিরোধ ছিল না, সে কারণে পরিবারের পক্ষ থেকে কারো বিরুদ্ধে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই।  


বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, মোস্তফা শিকদার নিখোঁজের ঘটনায় গত ২ তারিখ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বিষখালী নদীর তীর থেকে ভাসমান অবস্থায় মোস্তফার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। 


এইচকেআর
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন