আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো

বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া খালের হলদিয়া ইউনিয়নের টুঙ্গা- আমতলী সদর ইউনিয়নের ভায়লাবুনিয়া খাল,হলদিয়া ইউপির ভায়লাবুনিয়া-পশ্চিম চিলা ফাজিল মাদ্রাস সংলগ্ন খালে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও ব্রিজ নির্মাণ না হওয়ায় বাঁশের সাঁকোই এখন ৫০ হাজার মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা। বাঁেশর সাঁকোতে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
বছরের পর বছর যায় কিন্তু বাঁেশর সাঁকোর কোনো পরিবর্তন হয়না। সকল নির্বাচনের সময়ই রাজনীতিবিদরা প্রতিশ্রুতি দেয় নির্বাচনে জয়যুক্ত করুন বাঁেশর সাকো আর থাকবেনা ব্রিজ করে দিবো।নির্বাচন শেষ ভুলে যায় প্রতিশ্রুতির কথা।আক্ষেপ করে বলছিলেন টুঙ্গা গ্রামের মামুন মিয়া।
স্থানীয়দের সঙে কথা বলে জানা যায়,ব্রিজের অভাবে চিলা,ভায়লা বুনিয়া, শারিকখালী, পূর্বচিলা, ছোনাউঠা, পশ্চিমচিলা, চারের খাল,পূর্বচিলা গ্রামের পথচারী উপজেলা শহরে রোগীদের নিয়ে আমতলী হাসপাতাল নেওয়া, বিচার প্রার্থীদের আমতলী সিনিয়র জুডিশিাল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে, পোস্ট অফিসে, আমতলী সরকারি কলেজ, আমতলী ফাজিল মাদ্রাসা,পশ্চিমচিলা আমিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসাসহ কয়েকটি হাট বাজারে যাতায়াত করতে হয় এই বাশের সাঁেকো দিয়ে।
গ্রামবাসী আরো জানান,এখানকার মানুষের পেশা কৃষি প্রধান হওয়ায় মৌসুমী ফসলসহ ধান,খেসারি, ডাল,মুগ,তরমুজ,উৎপাদনে উপজেলার শীর্ষে অবস্থান করছে। শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য সামগ্রী যানবাহনে করে অন্যান্য বাজারগুলোতে বিক্রি করতে পারেনা। এতে কৃষকরা অর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হন। গর্ভবর্তী ওরোগীদের উপজেলা সদর পটুয়াখালী জেলা সদর, বরগুনায় পৌঁছতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।বর্ষা মৌসুমে এই বাঁশের সাকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয় ।
এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী জানান, খোঁজ-খবর নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হবে।
এইচকেআর