আগৈলঝাড়া থানায় হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ২৩

বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) রাতে বরিশাল জেলা পুলিশের কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৩৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। এর মধ্যে ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। আগৈলঝাড়া থানার এসআই ওমর ফারুক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার রাত থেকে শনিবার পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় ২৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মামলায় বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে মারধর, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি, হুমকি এবং যৌথভাবে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় একটি চুরির মামলায় রিয়াজ ফকির নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। রাতে থানা হাজতে তিনি নিজের মাথায় আঘাত করলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিন বিকালে রিয়াজের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়রা থানায় হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এএসআই আব্দুল হালিমসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য এবং হামলাকারীদের কয়েকজনসহ অন্তত ১২ জন আহত হন। পরে আহত পুলিশ সদস্যকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন, কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফারহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল-আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এইচকেআর