পাথরঘাটায় বাজের আগুন, ৩০ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত

বরগুনার পাথরঘাটায় স্থানীয় একটি বাজের আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এতে মুদি মনোহারীসহ বিভিন্ন ধরনের অন্তত ২৫ থেকে ৩০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাথরঘাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে সোমবার দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের লেমুয়া নামক এলাকার স্থানীয় একটি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সমন্বয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রাতে স্থানীয় লেমুয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে যে যার মতো বাড়িতে চলে যান। এ সময় বাজারের নিরাপত্তায় নিয়োজিত এক নৈশপ্রহরী দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরে গভীর রাতে হঠাৎ ওই বাজারের দুই-তিনটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগুন জ্বলতে দেখেন তিনি। পরবর্তীতে ওই নৈশপ্রহরীর ডাক-চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানান। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনটি ইউনিটের সমন্বয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। তবে এর আগেই ওই বাজারে থাকা মুদি মনোহারী, ফার্মেসি ও ছোট-বড় চায়ের দোকানসহ কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। পাথরঘাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের প্রাথমিক ধারণা এ ঘটনায় ব্যবসায়ীদের অন্তত ২৫ থেকে ৩৫ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। তবে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত তথ্য জানা যাবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
পাথরঘাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয় দ্রুত সময়ের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুনের তীব্রতা দেখে পার্শ্ববর্তী মঠবাড়িয়া ও বামনা উপজেলার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকেও খবর দেওয়া হয়। পরে তিনটি ইউনিটের সমন্বয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক সংযোগের ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রকৃত কারণ উদঘাটনে আমাদের তদন্ত চলমান রয়েছে।
এইচকেআর