ঢাকা রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ঝালকাঠিতে ১২০ গাছ কাটার পর স্থগিত ২ হাজার গাছ কাটার প্রকল্প দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ ইরানের হামলায় ইসরায়েলে নিহত ১২, আহত প্রায় ৩ হাজার
  • পুলিশ সুপারকে ছেঁড়া কাপড় দেখালেন নিহতের স্ত্রী

    পুলিশ সুপারকে ছেঁড়া কাপড় দেখালেন নিহতের স্ত্রী
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    অপমৃত্যুর লাশ হস্তান্তরে ২০ হাজার টাকা ঘুস দাবি ও নিহতের স্বজনদের মারধরসহ আটকের ঘটনায় মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মহিববুল্লাহ ও এসআই  সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদন্ত শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধানে বেলা ১১টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও নিহতের বাড়ি গিয়ে স্বজনদের লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করেন বরগুনা পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গির মল্লিক। এ সময় নিহত আবুল বাশারের ছোট স্ত্রী নাজমা বেগম পুলিশ সুপারকে তার সেদিনের পরিহিত ছেঁড়া কাপড়ও দেখান। তিনি পুলিশ সুপারকে কেঁদে কেঁদে বলেন, সেদিন এসআই সাইফুলের মারধরে তার পরিহিত কাপড়ও ছিঁড়ে যায় এবং ডান চোখে আঘাত লেগে রক্তাক্ত হয়।

     এ সময়ে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ও বেতাগী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত সোমবার (সংবাদ প্রকাশের দিন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল, পটুয়াখালী) মো. শামিম হোসেন এক দফা অনুসন্ধান চালান। 

    এলাকার লোকজনের উপস্থিতিতে আলাদা আলাদা লিখিত বক্তব্যে স্বজনরা পুলিশ সুপারকে জানান, ওই দিন শুধু লাশ হস্তান্তরে ২০ হাজার টাকা ঘুস দাবিই করেননি ওসি, তার নেতৃত্বে মির্জাগঞ্জ থানার এসআই সাইফুল ইসলাম নিহতের দুই স্ত্রীকে মারধর ও অশোভনীয় আচরণ করেন। এছাড়াও ৩ জন স্বজনকে আটক করে অমানবিক অত্যাচার করেন। 

    এ সময় নিহতের ছোট স্ত্রীর পরিহিত কাপড়ও ছিঁড়ে যায় ও চোখে আঘাত পান। পুলিশ সুপারের সামনেই ছিঁড়ে যাওয়া কাপড় ও চোখের রক্তাক্ত অংশ দেখান নিহত আবুল বাশারের স্ত্রী নাজমা বেগম। এছাড়াও সব ঘটনার লিখিত বর্ণনা দেন নিহত আবুল বাশারের শ্বশুর, ছোট দুই ভাইসহ একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী এবং দুই স্ত্রী নাজমা ও হাওয়া বেগম। 

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধানের ব্যাপারে জানতে চাইলে বরগুনা পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর মল্লিক বলেন, নিহত আবুল বাশারের মৃত্যু গাছ থেকে পড়ে গিয়েই হয়েছে এটি স্পষ্ট। অভিযোগে যে সত্যতা পাওয়া গেছে তাই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে পাঠানো হবে। উল্লেখ্য, বরগুনার বেতাগীতে আমড়া পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে আবুল বাশার গুরুতর আহত হন। নিকটস্থ মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্বজনদের থানায় ডেকে নিয়ে লাশ হস্তান্তরে ঘুস দাবি করেন ওসি মহিববুল্লাহ। ঘুস দিতে না চাইলে ওই থানার এসআই  সাইফুল ইসলাম ময়নাতদন্তে লাশ পাঠাতে চাইলে স্বজনদের সাথে টানাহেঁচড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে স্বজনদের মারধরসহ ৩ জনকে আটকও  করেন। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে ওই দিন সন্ধ্যায় মারা যাওয়া ব্যক্তির লাশ রাত আড়াইটায় স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন।
     


    এইচেকআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ