ঢাকা শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে খালখনন কার্যক্রম পরিদশন করলেন বিসিসির প্রশাসক শিরীন বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার  বাউফলে বাসচালককে মারধরের ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার শেবাচিম হাসপাতালে হাম আক্রান্ত আরও দুই শিশুর মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি মামুন খালেদ ৩ দিনের রিমান্ডে আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাবেক দুই পুলিশের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন গৌরনদীতে ব্রিজের রেলিং ভেঙে ট্রাক খাদে, চালক-হেলপার আহত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রবিউল, সম্পাদক মাসুদ বরিশাল নগরে স্কুলছাত্রী নিহতের ঘটনায় প্রতিবাদ, সড়ক অবরোধ
  • বহুবিবাহ আইনের ৬ নম্বর ধারা চ্যালেঞ্জ করে রিট

    বহুবিবাহ আইনের ৬ নম্বর ধারা চ্যালেঞ্জ করে রিট
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বহুবিবাহের অনুমতি সংক্রান্ত মুসলিম পারিবারিক আইনের ৬ নম্বর ধারা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিটটি দায়ের করেন।

    রিটে বহুবিবাহের অনুমতি সংক্রান্ত মুসলিম পারিবারিক আইনের ৬ নম্বর ধারা অসাংবিধানিক ঘোষণার আবেদন জানানো হয়েছে।

    রিট আবেদনে বলা হয়েছে, ইসলাম ধর্মে এক স্ত্রী থাকা অবস্থায় পুরুষের একাধিক বিয়ে করার বিধান রয়েছে। একসঙ্গে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী রাখার অনুমতি থাকলেও পবিত্র কুরআনে সকল স্ত্রীর সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ১৯৬১ মুসলিম পারিবারিক আইনের ৬ নম্বর ধারায় বহুবিবাহের যে বিধান করা হয়েছিল তাতে সকল স্ত্রীর সমান অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি উপেক্ষিত। যদিও স্বামীর বহুবিবাহের ফলে বর্তমান স্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই সালিশি কাউন্সিলকে অনুমতি দেওয়ার সর্বময় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যা বর্তমান স্ত্রীর সাংবিধানিক অধিকারকে ক্ষুণ্ন করে। 

    আইনজীবী ইশরাত হাসান আরও বলেন, মুসলিম পারিবারিক আইনের বিষয়ে পারিবারিক আদালত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ,  কিন্তু এখানে বহুবিবাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ  ইস্যু কেবল সালিশি কাউন্সিলের হাতে দেওয়া হয়েছে যা নারীর মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

    তিনি বলেন, উন্নত মুসলিম দেশে বহুবিবাহের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ, আর্থিক সক্ষমতার সনদ ইত্যাদি দাখিল করে বর্তমান স্ত্রীর বক্তব্য শুনানি করে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। আমাদের দেশে সালিশি কাউন্সিলের সাক্ষ্য-প্রমাণ নেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই। বহুবিবাহের বর্তমান যে বিধান রয়েছে তা সংশোধন করে আরও কঠোর বিধান করা উচিত। এ জন্য এই রিট দায়ের করা হয়েছে। আইন সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক সচিব এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে রিটে।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ