৩ জানুয়ারি থেকে ট্যাংকলরি ধর্মঘট

ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে খুলনা বিভাগসহ সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য ট্যাংকলরি ধর্মঘট ডেকেছে বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব শেখ ফরহাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খুলনা বিভাগীয় সভায় বলা হয়, গত ৪ নভেম্বর জ্বালানি তেল ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু ট্যাংকলরির ভাড়া বাড়ানো হয়নি। অথচ তেলের দাম বাড়ার অনেক আগে থেকেই ট্যাংকলরির চ্যাসিস, ট্যাংকার, আয়কর বাড়া (৮ হাজার টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা) খুচরা যন্ত্রাংশসহ ড্রাইভারের বেতন কয়েকগুণ বাড়ায় ট্যাংকলরিতে বিনিয়োগ কয়েকগুণ বেড়েছে। তখন থেকেই ট্যাংকলরির ভাড়া বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর চিঠি দেওয়া হলেও ট্যাংকলরির ভাড়া বাড়ানো হয়নি।
এদিকে কৃষি, কৃষক, পাওয়ার স্টেশনকে সচল রাখতে ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে লোকসান দিয়ে ট্যাংকলরি পরিবহনের কাজ সচল রাখা হয়েছে। বর্তমানে লোকসানের মাত্রা কয়েকগুণ বাড়ায় ও সংশ্লিষ্টদের ট্যাংকলরির প্রতি অবহেলার কারণে আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে ট্যাংকলরির ভাড়া না বাড়ানো পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ট্যাংকলরিতে জ্বালানি পরিবহন বন্ধ থাকবে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
তারই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) সভার মাধ্যমে খুলনা বিভাগীয় কমিটি ঘোষিত কর্মসূচির প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে এবং খুলনা বিভাগসহ বৃহত্তর ফরিদপুর জেলায় সর্বাত্মক ৩ জানুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ট্যাংকলরিতে জ্বালানি পরিবহন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব শেখ ফরহাদ হোসেন বলেন, ডিজেলের দাম বাড়লেও ট্যাংকলরির ভাড়া বাড়েনি। অথচ বাসভাড়া বাড়ানো হয়েছে। ২ জানুয়ারি পর্যন্ত দেখা হবে। এরমধ্যে ভাড়া না বাড়লে আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ট্যাংকলরিতে জ্বালানি পরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এটা কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচি। খুলনা বিভাগীয় কমিটিও এর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে।
এমবি