ঢাকা সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটুকু বরিশাল সদর ‍উপজেল‍ার চরকাউয়ায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা  বরিশ‍াল নগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় যুবক আহত অ্যাডভোকেট হলেন সাংবাদিক বেলাল বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নিহত ৬

    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নিহত ৬
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় একের পর এক দলীয় ও সাধারণ মানুষকে পিটিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। হত্যার শিকার পরিবারগুলো কিভাবে সন্তানদের নিয়ে বেঁচে থাকবে তা নিয়ে রয়েছে চরম হতাশায়।
    শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বগুড়া ইউনিয়নের দলিলপুর মাঠে কল্লোল খন্দকার (৩৫) নামের একজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ অস্ত্রধারীরা। তিনি উপজেলার বগুড়া গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে।

    এর আগে সকালে আবদুর রহিম নামে আরেক ব্যক্তি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত ২৩ ডিসেম্বর নির্বাচনী সহিংসতায় তিনি আহত হয়েছিলেন। শনিবার  নির্বাচনী সহিংসতায় মারা যাওয়া অখিল সরকার ইটভাটায় কাজ করতেন। শৈলকুপা উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের ভোটার নন তিনি। থাকতেন আশ্রয় প্রকল্পের শ্বশুরবাড়িতে। নিজ বাড়ি ঢাকার ধামরাই উপজেলায়। হারান আলীও থাকতেন কাঁচেরকোল বাজারের পাশে একই আশ্রয় প্রকল্পের। তাঁরা আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সমর্থক ছিলেন।  

    গত ৩১ ডিসেম্বর ইউনিয়নের কাতলাগাড়ি বাজারে নৌকার প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় অখিল সরকার ও হারান আলী গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই হারান আলী মারা যান। তিনিও কৃষি শ্রমিক ছিলেন। আর অখিল সরকার ৫ জানুয়ারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সারুটিয়া ইউনিয়নের নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত আরেকজন জসিম উদ্দিন। তিনিও দীর্ঘদিন ঢাকায় থাকতেন, ঘটনার দিন সকালে বাড়িতে এসেছিলেন। প্রতিপক্ষের লোকজন ভেবেছিলেন, নির্বাচনে ভোট দিতে বাড়িতে এসেছে, তাই তাঁকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। তাঁর বাড়ি ভাটবাড়িয়া গ্রামে। তিনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন।

    নির্বাচনী সহিংসতায় মারা যাওয়া হারান আলীর স্ত্রী সুফিয়া বেগম জানান, তাঁর স্বামীও কোনো দিন রাজনীতি করেননি। রাজনীতি কী, তাও বুঝতেন না। শুধু নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় দেখতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁকে প্রতিপক্ষের লোকজন কুপিয়ে হত্যা করেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানরা তাদের ক্ষমতা ধরে রাখতে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়  পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করছেন।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ