ঢাকা রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ঝালকাঠিতে ১২০ গাছ কাটার পর স্থগিত ২ হাজার গাছ কাটার প্রকল্প দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ ইরানের হামলায় ইসরায়েলে নিহত ১২, আহত প্রায় ৩ হাজার
  • নৌ-দুর্ঘটনায় নিহত পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

    নৌ-দুর্ঘটনায় নিহত পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ী পুরাতন ঘাটে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও পাঁচজন আহত হওয়ার ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি ও নিহত পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

    সোমবার (৩ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।

    তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ঘোষিত ‘লকডাউনের’ মধ্যেও এত বেশি সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্পিডবোট চলাচলের জন্য ঘাট ইজারাদার, নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড, বিআইডাব্লিউটিএ ও সমুদ্র পরিবহন অধিদফতর কেউ দায় এড়াতে পারে না। এ কারণে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর এ ঘাটে মনিটরিংয়ের দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ এনে হত্যা মামলা দায়ের করার দাবি জানান।   

    আমাদের দেশের নৌ-পথ দিন দিন অনিরাপদ হয়ে উঠছে বলে দাবি করে মোজাম্মেল হক বলেন, সরকার নৌ-পথের উন্নয়নে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করলেও এ খাতে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর উদাসীনতা, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা কারণে নৌ-পথের যাত্রীদের নিরাপত্তা বরাবরই উপেক্ষিত হচ্ছে। একদিকে ‘লকডাউন’ অন্যদিকে কাল-বৈশাখীর এহেন দুর্যোগপূর্ণ ভরা মৌসুমে ০৮-১০ জন যাত্রী যাতায়াতের ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি স্পিডবোটে লাইফ জ্যাকেট বিহীন ৩০-৩৫ জন যাত্রী নিয়ে যাতায়াত সারাদেশে নৌ-পথের এহেন অবহেলার চিত্র ফুটে উঠেছে। তাই নৌ-পথে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব অবহেলায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ও আহতদের ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান।

    বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিগত ২০১৮ সাল থেকে সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত নৌ-পথে ৬০১টি ছোট বড় দুর্ঘটনায় ৭৭৩ জন নিহত, ৯১২ জন আহত ও ১ হাজার ১৬৬ জন নিখোঁজ হয়েছে। পরিসংখ্যানের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ১৫৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১২৬ জন নিহত, ২৩৪ জন আহত, ৩৮৭ জন নিখোঁজ হয়। ২০১৯ সালে ২০৩টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২১৯ জন নিহত, ২৮২ জন আহত, ৩৭৫ জন নিখোঁজ হয়। ২০২০ সালে ‘লকডাউনের’ মধ্যেও ১৮৩টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৩১৩ জন নিহত, ৩৪২ জন আহত, ৩৭১ জন নিখোঁজ হয়। চলতি বছরে জানুয়ারি মাসে ১৭টি ছোট-বড় নৌ-দুর্ঘটনায় ৩৭ জন নিহত, ১৩ জন আহত, ১১ জন নিখোঁজ হয়। ফেব্রুয়ারি মাসে ১৫টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত, ১৯ জন আহত, ১৭ জন নিখোঁজ হয়। মার্চ মাসে ১০টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত, ১৩ জন আহত, ৩ জন নিখোঁজ হয়। এপ্রিল মাসে ১৪টি দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত, ৯ জন আহত, ২ জন নিখোঁজের ঘটনা সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে।


    /ইই
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ