ঢাকা রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পটুয়াখালীতে কিস্তির অর্থ না পেয়ে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে মারধর তেলপাম্পে মিছিল নিয়ে এসে ইউএনওর ওপর হামলা, আহত বডিগার্ড মঠবাড়িয়ায় ট্রান্সমিটার চুরি করতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের মহাসড়কের পাশ থেকে নিখোঁজ কাস্টমস কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার নিপুণ রায়ের ঘরে ৬০০ ভরি স্বর্ণ, শিক্ষায়-সম্পদে এগিয়ে বিএনপি প্রার্থীরা বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র গভীর রাতে চট্টগ্রামে যুবকের ওপর দুর্বৃত্তদের গুলিবর্ষণ, প্রাণবিয়োগ পটুয়াখালীতে তরুণের কানের ভেতর ৯ দিন লুকানো ছিল ইয়াবা, অতঃপর পিরোজপুরে রোগী সেজে ডিজিএফআইয়ের ফাঁদ, দুই ভুয়া চিকিৎসককে জরিমানা বরিশাল সরকারি কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেফতার
  • কেউ বেচে নেই মা-বাবা, জানে না ছয় বছরের বৃষ্টি

    কেউ বেচে নেই মা-বাবা, জানে না ছয় বছরের বৃষ্টি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজধানীর মাতুয়াইলে সেন্টমার্টিন পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় নিহত একই পরিবারের তিনজনের বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জে। দুর্ঘটনায় বেঁচে আছে ছয় বছরের শিশু বৃষ্টি আক্তার। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যাশয়ী বৃষ্টি শুধু বাবা-মাকে খুঁজছে। সে জানে না তার বাবা-মা আর নেই। নানা আব্দুর রহমানও চিরতরে চলে গেছেন। বৃষ্টির বাবা ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। বৃষ্টির বড় ভাইয়ের বয়সও মাত্র ১২ বছর।

    নিহত স্বামী-স্ত্রী রিয়াজুল ইসলাম (৪২) ও শারমিন আক্তারকে (৩৬) শনিবার (২২ জানুয়ারি) বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে চরফতেপুর গ্রামে দাফন করা হয়েছে। আর আব্দুর রহমানকে উজিরপুর উপজেলার মশাং গ্রামে দাফন করা হয়েছে। জানাজা ও দাফনে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। 

    একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুতে দুই গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

    জানা গেছে, গত শুক্রবার সকালে মহাখালী ক্যানসার হাসপাতালে ভর্তি সাহেদা বেগমকে দেখতে ঢাকায় আসেন তাঁর স্বামী আব্দুর রহমান (৬৫), মেয়ে শারমিন আক্তার, জামাতা রিয়াজুল ও নাতনি বৃষ্টি আক্তার (৬)। 

    ঢাকার সদরঘাটে লঞ্চ থেকে নেমে সিএনজি অটোরিকশায় করে মাতুয়াইলে আব্দুর রহমানের ছেলে তানভীরের বাসায় যাচ্ছিলেন তাঁরা। পথে মাতুয়াইল হাসপাতালের সামনে বাসের চাপায় নিহত হন তিনজন। 

    নিহত রিয়াজুলের চাচাত ভাই ইউসুফ খান জানান, শনিবার সকাল ৮টায় অ্যাম্বুলেন্সে তিনটি মরদেহ চরফতেপুর গ্রামে পৌঁছায়। রিয়াজুল ও শারমিন আক্তারের জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্তানে পাশাপাশি দাফন করা হয়। পরে আব্দুর রহমানের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় উজিরপুরের মশাং গ্রামে। সেখানে বেল ২টায় জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্তানে দাফন করা হয়েছে। 

    ইউসুফ খান আরও জানান, রিয়াজুল-শারমিন দম্পতির শাহরিয়ার (১২) নামক আরেকটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সে ঢাকায় একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। বাবা-মা হারানো শাহরিয়ার ও বৃষ্টির অভিভাবক এখন তাদের একমাত্র চাচা হাবিবুর রহমান। তিনি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।

    আব্দুর রহমানের ছেলে নজরুল ইসলাম জানান, ক্যানসারে আক্রান্ত মা সাহেদা খাতুন মহাখালী ক্যানসার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্বামী এবং মেয়ে ও জামাতার মৃত্যুর সংবাদ তাঁকে এখনও জানানো হয়নি।


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ