মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে গণঅভ্যুত্থান ’৬৯ স্মরণ

বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান জাতিকে মুক্তির প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করেছিল। মূলত এ গণঅভ্যুত্থানই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা।
সেদিক থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান স্মরণ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। বিষয়টি উপলব্ধি করেই নানা আয়োজনে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
সোমবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাদুঘর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিশেষ এ আয়োজন সাজানো ছিল আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম মোজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ডা. সারওয়ার আলী।
মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হলেও স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। সাম্প্রদায়িকতা, কুসংস্কার, দুর্নীতি ও জুলুমের বিরুদ্ধে আমাদের জয়ী হতে হবে।
ডা. সারওয়ার আলী বলেন, বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা আন্দোলন ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে চূড়ান্ত পরিণতি পেয়েছিল। এ আন্দোলনের কারণেই আইয়ুব খান পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিল ও বঙ্গবন্ধুকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। সেজন্য ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়েছিল।
আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক পর্বে আবৃত্তি পরিবেশন করেন বাচিক শিল্পী রফিকুল ইসলাম। ছড়া পাঠ করে পথশিশুদের নিয়ে পরিচালিত স্কুল ইউরেকার শিক্ষার্থীরা। গণসংগীত পরিবেশন করে স্বভূমি লেখক শিল্পী কেন্দ্র।
এসএম