পায়রা বন্দরে কাজ পাচ্ছে না বৈধ শ্রমিকরা


পায়রা বন্দরে পটুয়াখালী নৌ-যান শ্রমিক মালামাল বোঝাই ও খালাস ইউনিয়ন (রেজিঃনং ২৩০০) কাজ পাচ্ছে না। তাদের অভিযোগ রেজিষ্ট্রেশন বিধি লঙ্ঘন করে বন্দর কর্তৃপক্ষ বহিরাগত শ্রমিক দিয়ে কম টাকায় কাজ করান। এতে প্রতিবাদও বিক্ষোভ মিছিল করেন নৌ-যান শ্রমিক মালামাল বোঝাই ও খালাস ইউনিয়ন।
তারা বলেন, আমরা পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে বৈধ ভাবে কাজে অনুমতি নিয়েও অসাধু কোম্পানি ম্যানেজারদের অবহেলা খামখেয়ালি ওঅবৈধভাবে স্বার্থ আদায় করার কারনে বৈধ শ্রমিকদের দ্বারা কাজ করানো হলে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী বেতন দিতে হয়। তাই বৈধ শ্রমিকদের দ্বারা কাজ না করিয়ে বহিরাগত শ্রমিকদের কম বেতন দিয়ে সরকারী টাকা নিজেরা পকেট ভর্তি করে।
পটুয়াখালী নৌ-যান শ্রমিক মালামাল বোঝাই ও খালাস ইউনিয়ন ইউনিয়ন, কলাপাড়া সভাপতি খন্দকার মোঃ সেলিম বারবার মাননীয় মন্ত্রী, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকা, মাননীয় মন্ত্রী, শ্মও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন মহলে প্রতিকার দাবী করে অভিযোগ করেছেন। যার পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরি চালক ট্রাফিক স্বাক্ষরিত গত ১৯ নভেম্বর ২০২০ তারিখের ১৮.২১.৭৮৬৬.০০৭.৯৯.০০২.১৯-১২২ নম্বর / ০৪ জানুয়ারিতে ২০২১ তারিখের ১৮.২১.৭৮৬৬.০০৭.৫১.০০১.২১.-২৩৮ নম্বরপত্রসহ বিভিন্ন মহলে নিবেদন করেছেন। প্রকৃত শ্রমিকেরা কাজ না পাওয়ায় পরিবার পরিজনসহ অর্ধাহারে অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
কিন্তু কোনো সুফল মিলেনি শ্রমিকদের ব্যাপারে। সর্বশেষ গতকাল ১৫ এপ্রিল শনিবার সকনল আটটায় ৬০ জন শ্রমিক নিয়ে কাজে যোগ দেয়ার জন্য পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট আসলে সোনার বাংলা কোম্পানির ম্যানেজার মোঃ আবদুল জলিল মিয়া বৈধ শ্রমিকদের কাজে না নিয়ে বহিরাগত অবৈধ শ্রমিক দ্বারা কাজ করানো হয়। বৈধ শ্রমিকেরা বিকেল তিন ঘটিকায় পর্যন্ত কাজের জন্য অপেক্ষা করে পরে কাজ না পেয়ে তার বিক্ষোভ মিছিল করেন।
এ ব্যাপারে ম্যানেজার আবদুল জলিল মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এমইউআর
