সাংবাদিক তুলির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

সাংবাদিক সোহানা পারভীন তুলির (৩৮) ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেছে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন ও টক্সিকোলজি বিভাগের প্রভাষক ডা. কে এম মঈনুদ্দিন সোহানার ময়নাতদন্ত করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে নিহতের রক্তসহ অন্যান্য নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
অন্যদিকে বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সেলিম রেজা জানিয়েছেন, সুরতহাল প্রতিবেদনে যা আছে তা-ই পাওয়া গেছে।
প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনের তথ্যে পুলিশ ধারণা করছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছুই বলতে পারছেন না তদন্তকারী কর্মকর্তারা। কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান তারা।
এর আগে, রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে সাংবাদিক সোহানা পারভীন তুলির (৩৮) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বুধবার (১৩ জুলাই) বিকালে ২৯৯/৫, শেরেবাংলা নগর, রায়ের বাজারের বাসার দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি যশোর সদরের বটতলা এলাকায়। তিনি ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে হাজারীবাগের এই বাসায় থাকতেন।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন সোহানা তুলি। তিনি দৈনিক আমাদের সময়, দৈনিক কালের কণ্ঠে কাজ করেছেন। সর্বশেষ তিনি ২০২১ সালের মে পর্যন্ত বাংলা ট্রিবিউনে কর্মরত ছিলেন। এরপর কিছু দিন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। সম্প্রতি একটি অনলাইন শপ খুলে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন তুলি।
এএজে