ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত  ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে শুভেচ্ছা জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে জোর দিচ্ছে সরকার : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ঝালকাঠিতে মৎস্য বিভাগের অভিযানে হামলা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ আহত ৭ বরিশালে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বরিশালে নয়টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ২১৫টি পদ থাকলেও শূন্য ৭৯টি, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা নানা আয়োজনে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত কলাপাড়ায় মাছের ঘের থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার উজিরপুরে দুর্নীতির অভিযোগে ভূমি অফিসের দুই কর্মচারী প্রত্যাহার, গাড়িচালককে অব্যাহতি
  • ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মঠবাড়িয়ার মামুনকে অর্থ সহায়তা 

    ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মঠবাড়িয়ার মামুনকে অর্থ সহায়তা 
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার দক্ষিণ বড়মাছুয়া গ্রামের দিনমজুর আল-আমিন আকনের ছেলে মামুন আকন এবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু অর্থাভাবে মেধাবী মামুন আকনের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছিল। গণমাধ্যমে মামুন আকনকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থিক সহায়তা দিয়েছেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান।

    রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মামুন আকনের হাতে সহায়তা হিসেবে নগদ টাকা তুলে দেন জেলা প্রশাসক। এসময় মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঊর্মি ভৌমিক উপস্থিত ছিলেন। 

    সম্প্রতি গণমাধ্যমে ‘ঢাবিতে পড়ার সুযোগ পেয়েও ভর্তি নিয়ে দুশ্চিন্তা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঊর্মি ভৌমিকের নজরে আসে। এরপর ইউএনও মামুন আকনের বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানান।

    মামুন আকন ২০১৯ সালে বড়মাছুয়া ইউনাইটেড হাই ইনস্টিটিউশনের থেকে মামুন আকন জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাস করেন। ২০২১ সালে মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েও জিপিএ-৫ পান। এরপর সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ‘গ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হন। ‘গ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় তাঁর অবস্থান ৫৩তম।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মামুন আকনের বাবা আল-আমিন আকন দিনমজুর। আল আমিন আকনের আয়ে স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে পাঁচ জনের সংসার চালানো ছিল কষ্টকর। পরিবারটির দেড় কাঠা জমির ওপর বসতঘরটি ছাড়া কোন জমিজমা নেই। প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ চালিয়েছেন মামুন আকন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ভর্তির টাকা কিভাবে জোগার হবে সেই চিন্তায় ছিলেন মামুন আকন ও তাঁর পরিবার।

    মামুন আকন বলেন, বসত ঘর ছাড়া আমাদের কোন সম্পদ নেই। বাবা দিনমজুরের কাজ করে যা পান তা দিয়ে সংসারের খরচ চলে। প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ চালিয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ভর্তির টাকা জোগার ও থাকা খাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। জেলা প্রশাসক স্যার ২০ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া আরও এক ব্যক্তি সহায়তা করেছেন। এখন ভর্তির খরচ, বই কেনা ও ঢাকায় গিয়ে প্রাথমিক ভাবে থাকা খাওয়ার চিন্তা দূর হয়েছে।


     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ