ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বাবুগঞ্জের ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন ছাত্রদল নেতা মাহফুজুল আলম মিঠু  পাথরঘাটায় বলেশ্বর নদীতে ৯ যাত্রী নিয়ে বন বিভাগের ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ পিরোজপুরে হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাই কোর্টে খালাস আগৈলঝাড়া থানায় হামলা মামলার আসামি ঢাকায় ডিবির হাতে গ্রেফতার মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বাদ, ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে ৬ শিক্ষার্থী ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমকে সতর্ক করলো তথ্য অধিদপ্তর শিক্ষাভবনে তালাবদ্ধ ব্যারিকেড, সামনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা দেশের সব মাদরাসায় ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ পালনের নির্দেশ
  • যে হ্রদে সাক্ষাৎ মৃত্যুকূপ

    যে হ্রদে সাক্ষাৎ মৃত্যুকূপ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    হ্রদের পানিতে নামলেই নিশ্চিত মৃত্যু, এমন ভয়ংকর বিষাক্ত এক হ্রদের সন্ধান পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। লোহিত সাগরের প্রায় ছয় হাজার ফুট গভীরে ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের এই মৃত্যুপুরীর সন্ধান পান তারা।

    লাইভ সায়েন্স ও নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। লবণাক্ত পানির ওই পুলে নামামাত্রই যেকোনো প্রাণীর মৃত্যু হতে পারে বলে লাইভ সায়েন্সে দাবি করেন স্যাম পুরকিস নামে এক বিজ্ঞানী।

    সাধারণত সমুদ্রের নিচে এই ধরনের গভীর এবং অগভীর হ্রদ সৃষ্টি হয়। এগুলোকে ‘ব্রাইন পুল’ বলা হয়। গভীর সমুদ্রের নিচে এই হ্রদের সৃষ্টি হয়।

    প্রাণঘাতী এই হ্রদের ব্যাপারে স্যাম ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘ঘাতক এই পুলে লবণের মাত্রা অত্যাধিক। এই এলাকার পানি সমুদ্রের সাধারণ পানির চেয়ে তিন থেকে আট গুণ বেশি লবণাক্ত। শুধু তাই-ই নয়, ওই পানিতে অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যের মাত্রাও অনেক। এখানে রয়েছে বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইডের ভাণ্ডার। ফলে সমুদ্রের পানির চেয়ে এই হ্রদের পানি একেবারেই আলাদা। তা ছাড়া এই হ্রদে অক্সিজেনের কোনো অস্তিত্ব নেই। আর সে কারণেই মুহূর্তেই মারা পড়তে পারে সামুদ্রিক জীব বা কোনো প্রাণী।

    অবশ্য এই হ্রদে বিপুল পরিমাণ জীবাণু রয়েছে। তবে পৃথিবীতে কীভাবে সমুদ্রের সৃষ্টি হয়েছিল, তা জানতে এই আবিষ্কার অনেকটাই সাহায্য করবে বলে দাবি করেছেন স্যাম। তিনি আরও জানান, এই আবিষ্কার জরুরি ছিল। কারণ এর থেকেই আন্দাজ করা যাবে অন্য কোনো গ্রহে এ রকম পরিস্থিতিতে কোনো প্রাণী বেঁচে আছে কি না।

    এদিকে, নিউইয়র্ক পোস্টের মতে, বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এটিই প্রথম ব্রাইন পুল নয়। গত ৩০ বছরে, সমুদ্রবিজ্ঞানীরা লোহিত সাগর, ভূমধ্যসাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে ‘কয়েক ডজন’ এ ধরনের ভয়াবহ হ্রদ আবিষ্কার করেছেন।


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ