ঢাকা শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী দুই শতাধিক ব্যক্তির মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ  রহমতের দশকে আত্মশুদ্ধির ডাক: আজ দ্বিতীয়  ভাঙনের কবলে বরগুনার পর্যটনস্পট শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত নকলের মতোই শিক্ষাঙ্গন হবে মাদক-সন্ত্রাস ও ইভটিজিং মুক্ত: শিক্ষামন্ত্রী দিনে ৬ ঘণ্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নির্দেশ দাবি আদায় বা আন্দোলনের নামে জনদুর্ভোগ সহ্য করা হবে না যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়লো বিধি-বিধানের বাইরে কোনো কিছু বাস্তবায়ন করতে দেবো না: তথ্যমন্ত্রী  ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড
  • বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বেশি দুর্নীতি হয়: জি এম কাদের

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বেশি দুর্নীতি হয়: জি এম কাদের
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    অন্যান্য খাতের থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বেশি দুর্নীতি হয়। এ দুই খাতকে দুর্নীতির আখড়া বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

    জি এম কাদের বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত হচ্ছে দুর্নীতির আখড়া। সব খাতেই দুর্নীতি আছে, তবে এ দুই খাত গোপন দেখে সাধারণ মানুষ জানে না।’

    তিনি বলেন, ‘এলএনজি দুটি কারণে তারা (সরকার) করেছে। এলএনজি বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্যাপাসিটি ৫০০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট প্রতিদিন। তবে এখন তারা চালাচ্ছে ১০০-২০০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট। কারণ এখন তাদের গ্যাস নেই। ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে তারা প্রতিটি ইউনিটকে প্রতিদিন প্রায় আড়াই লোখ ডলার দিচ্ছে। তারপর তারা আরও দুটি ফ্লোটিং এলএনজি ইউনিট আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। প্রতিদিন এ রকম লাখ লাখ ডলার আমরা পে করছি দু-একটি ফার্মকে। কিন্তু সাধারণ মানুষকে বলা হচ্ছে, টাকার অভাবে বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হচ্ছে।’

    শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সনাতন পার্টির (বি.এস.পি.) আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মনোরঞ্জন ঘোষাল, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার আচার্য প্রমুখ।

    জি এম কাদের বলেন, ‘এক গবেষণা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতিবেদনে লিখেছিল, বছরে বাংলাদেশ ১ বিলিয়ন ডলার জ্বালানি খাতে গচ্চা দিচ্ছে। প্রচুর দুর্নীতি হচ্ছে এই খাতে। যে দাম বাড়ানো হয়েছে জ্বালানি তেলের, সেখানে ট্যাক্স একটু কম নিলেই হতো। এরশাদ সাহেব জ্বালানিতে কোনো ট্যাক্স নিতেন না। একই সঙ্গে জ্বালানিতে তারা যে প্রফিট করেছে, তা কাজে লাগাতে পারলে তেলের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হতো না।’

    সেচের জন্য পানি না দিতে পারলে খাদ্যের সংকট হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘টাকার জন্য সরকার বলছে এক থেকে দুই ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ দেবে না। তবে আমাদের নির্বাচনী এলাকা ও গ্রাম থেকে জানতে পারছি, সেখানে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সামনের দিনে সেচের জন্য কী হবে আমার তা জানা নেই। বিদ্যুতের অভাবে সেচের জন্য পানি না দিতে পারলে খাদ্য উৎপাদন কম হবে। সেচের অভাবে প্রায় ৪০ মিলিয়ন মেট্রিকটন খাদ্য কম উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।’ 


    এএজে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ