ঢাকা বুধবার, ২০ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ১০ লাখ কর্মসংস্থান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অঙ্গীকার             আগামী ৫ জুন শেবাচিম হাসপাতালে চালু হচ্ছে হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট মঠবাড়িয়ার টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার শিশু মৃত্যুর অভিযোগ শেবাচিম হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু নিয়ে স্বজন-ইন্টার্ন চিকিৎসকদের তুলকালাম হাম উপসর্গে বরিশালে ২ শিশুর মৃত্যু আমরা খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করতে যাচ্ছি: ট্রাম্প আওয়ামী লীগ ব্যাক করেনি, তারা ছিলই: আসিফ নজরুল পাকিস্তানকে ফের হোয়াইটওয়াশ, রোমাঞ্চকর জয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আইন উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেলেন আইনজীবী পান্না ও আমিন  ‘স্বপ্নের সেতু’ নির্মাণ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে গিয়ে অবরুদ্ধ সেতুমন্ত্রী
  • ঝালকাঠিতে ওএমএসের চাল পেতে দরিদ্র মানুষের মিছিল

    ঝালকাঠিতে ওএমএসের চাল পেতে দরিদ্র মানুষের মিছিল
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঝালকাঠিতে প্রতিদিন বেড়ে চলেছে ওএমএসের চাল-আটা কিনতে আসা অসচ্ছল মানুষের মিছিল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে অনেককেই ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। এদিকে, ডিলার পয়েন্টগুলোতে হুড়োহুড়ি আর অসন্তোষের সুর যেন প্রতিদিনের। বরাদ্দ কমে যাওয়ায় এমন হিমশিম অবস্থা এবং বরাদ্দ বাড়াতে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫ কেজি করে চাল-আটা সকাল ১০টা থেকে দেয়া শুরু হলেও ভোর ৭টা থেকে শুরু হয় লাইনে দাঁড়ানোর প্রতিযোগিতা। ৩০ টাকা দরে চাল আর ১৮ টাকা দরের আটা কিনতে ডিলার পয়েন্টে রীতিমতো হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।

    খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলা সদরে ৫টি, নলছিটি পৌরসভায় ৩টি এবং জেলার অন্য দুই উপজেলায় ২টি করে মোট ১২ জন ডিলার প্রতিদিন ১২ টন চাল বরাদ্দ পান। তবে আটার বরাদ্দ কেবল জেলা সদরের জন্য প্রতিদিন ৫ টন করে। মাসে ২২ দিন করে জেলায় মোট ৫২ হাজার ৮০০ জন চাল ও ২২ হাজার মানুষ খোলা বাজারে আটা কেনার এ সুযোগ পাচ্ছেন।

    এদিকে সুলভের এ চাল-আটা কিনতে মানুষের দীর্ঘ মিছিল পড়ে যায়। ডিলাররা জানান, এত অল্প বরাদ্দে অসংখ্য নিম্ন আয়ের মানুষের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয় না। ফলে প্রতিদিনই খালি হাতে ফিরে যেতে হয় অনেককে। চাহিদা সামাল দিতে কমপক্ষে দুই টন আটা ও দুই টন চালের চাহিদা রয়েছে বলে দাবি ডিলারদের।

    শহরের পৌরসভার মোড় এলাকায় ডিলার পয়েন্টে আসা বৃদ্ধ রজব আলী বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সংসারের আয় কমে যাওয়ায় এ কষ্টকর পরিস্থিতি সহ্য করেও লাইনে দাঁড়াই। কোনো দিন পাই আবার কোনো দিন খালি হাতে বাসায় ফিরি।’

    সরেজমিনে দেখা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সঙ্গে অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ মুখ ঢেকে লাইনে দাঁড়ান। এমন একজন বলেন, সবকিছুর দাম বেড়েছে, আয় বাড়েনি। ফলে বাধ্য হয়ে এখানে এসেছি।

    এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. নাজমুল হোসাইন বলেন, ‘জেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চাহিদা লাঘবে বরাদ্দ ও ডিলার পয়েন্ট বাড়ানোর জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হবে।’


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ