ঢাকা শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণে ‘ওয়াক আউট’ করেছে জামায়াত জোট বিএম কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ইফতারের আগেই পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো বাংলাদেশ ভাইরাল ভিডিওতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, আরেক আসামি ব্যাংক ম্যানেজার সাংবাদিক মাসুম মিজ‍ানের বিরুদ্ধে মামলায় ডিআরইউর তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ সংস্কারের পর নতুন রূপে সংসদ ভবন, বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে অধিবেশন টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো বাংলাদেশ বিভাগীয় শহরে জ্বালানি তেল সরবরাহের নতুন নির্দেশনা লাইসেন্স জটিলতায় থেমে গেছে ব্রিজের কাজ, ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা জ্বালানি তেলে অনিয়ম রোধে ডিসিদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ
  • ঝালকাঠিতে ওএমএসের চাল পেতে দরিদ্র মানুষের মিছিল

    ঝালকাঠিতে ওএমএসের চাল পেতে দরিদ্র মানুষের মিছিল
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঝালকাঠিতে প্রতিদিন বেড়ে চলেছে ওএমএসের চাল-আটা কিনতে আসা অসচ্ছল মানুষের মিছিল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে অনেককেই ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। এদিকে, ডিলার পয়েন্টগুলোতে হুড়োহুড়ি আর অসন্তোষের সুর যেন প্রতিদিনের। বরাদ্দ কমে যাওয়ায় এমন হিমশিম অবস্থা এবং বরাদ্দ বাড়াতে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫ কেজি করে চাল-আটা সকাল ১০টা থেকে দেয়া শুরু হলেও ভোর ৭টা থেকে শুরু হয় লাইনে দাঁড়ানোর প্রতিযোগিতা। ৩০ টাকা দরে চাল আর ১৮ টাকা দরের আটা কিনতে ডিলার পয়েন্টে রীতিমতো হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।

    খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলা সদরে ৫টি, নলছিটি পৌরসভায় ৩টি এবং জেলার অন্য দুই উপজেলায় ২টি করে মোট ১২ জন ডিলার প্রতিদিন ১২ টন চাল বরাদ্দ পান। তবে আটার বরাদ্দ কেবল জেলা সদরের জন্য প্রতিদিন ৫ টন করে। মাসে ২২ দিন করে জেলায় মোট ৫২ হাজার ৮০০ জন চাল ও ২২ হাজার মানুষ খোলা বাজারে আটা কেনার এ সুযোগ পাচ্ছেন।

    এদিকে সুলভের এ চাল-আটা কিনতে মানুষের দীর্ঘ মিছিল পড়ে যায়। ডিলাররা জানান, এত অল্প বরাদ্দে অসংখ্য নিম্ন আয়ের মানুষের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয় না। ফলে প্রতিদিনই খালি হাতে ফিরে যেতে হয় অনেককে। চাহিদা সামাল দিতে কমপক্ষে দুই টন আটা ও দুই টন চালের চাহিদা রয়েছে বলে দাবি ডিলারদের।

    শহরের পৌরসভার মোড় এলাকায় ডিলার পয়েন্টে আসা বৃদ্ধ রজব আলী বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সংসারের আয় কমে যাওয়ায় এ কষ্টকর পরিস্থিতি সহ্য করেও লাইনে দাঁড়াই। কোনো দিন পাই আবার কোনো দিন খালি হাতে বাসায় ফিরি।’

    সরেজমিনে দেখা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সঙ্গে অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ মুখ ঢেকে লাইনে দাঁড়ান। এমন একজন বলেন, সবকিছুর দাম বেড়েছে, আয় বাড়েনি। ফলে বাধ্য হয়ে এখানে এসেছি।

    এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. নাজমুল হোসাইন বলেন, ‘জেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চাহিদা লাঘবে বরাদ্দ ও ডিলার পয়েন্ট বাড়ানোর জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হবে।’


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ