ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • উজিরপুরে মৎস্যজীবী গ্রাম সংগঠনের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় কুয়াকাটায় সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, যুবকের কারাদণ্ড ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নাভি পিল্লাই ভাণ্ডারিয়ায় ছাত্রদল নেতাসহ হানিট্রাপ চক্রের তিন সদস্য আটক উজিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি লিটন, সম্পাদক সেন্টু বরিশালে কড়াপুরে মাদকের আসর থেকে পুলিশ সদস্যসহ আটক ৪ বিক্ষোভে উত্তপ্ত দিল্লি, রাস্তায় নামছে ২৩ হাজার সশস্ত্র পুলিশ গৌরনদীতে ঋণের চাঁপ সইতে না পেরে চা দোকানির আত্মহত্যা শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কলাপাড়া ও কুয়াকাটা বিএনপির দুই নেতার পদ স্থগিত উজিরপুরে ৩৪০০ জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ শুরু
  • ভারতের মণিপুরে জাতিগত সহিসংতা, নিহত বেড়ে ৫৪

    ভারতের মণিপুরে জাতিগত সহিসংতা, নিহত বেড়ে ৫৪
    সেনাবাহিনী মোতায়েন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভারতের মণিপুরে গত ৩ দিনের জাতিগত সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। ঘরছাড়া হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। পরিস্থিতি সামলাতে নামাতে হয়েছে সেনা।

    এদিকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ওই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। জানিয়েছেন, ওই রাজ্যে আটকে পড়া নাগরিকদের উদ্ধার করতে সহযো‌গিতার হাত বাড়িয়ে দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    বিজেপি শাসিত মণিপুর সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সহিংস পরিস্থিতিতে আটকে পড়া বিভিন্ন রাজ্যের নাগরিকদের উদ্ধারে সচেষ্ট হবে জানিয়ে দু’টি ‘হেল্পলাইন নম্বর’ টুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তিনি লিখেছেন, আমরা মণিপুর থেকে যে ধরনের বার্তা পাচ্ছি তাতে গভীরভাবে ব্যথিত। আমি মণিপুরের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত নাগরিকেরাও এখন সেখানে আটকে পড়েছেন।


    মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার জনগণের পাশে দাঁড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও মণিপুর সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সেখানে আটকে পড়া লোকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    মণিপুরি ছাত্র সংগঠন ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব মণিপুর’ (এটিএসইউএম) বুধবার আন্দোলনকারী মেইতেই জনগোষ্ঠীর দাবির বিরোধিতা করে একটি মিছিল বের করে। সেখান থেকেই মণিপুরের ৮টি জেলায় সহিংসতা ছড়ায় বলে অভিযোগ। সম্প্রতি মণিপুর হাইকোর্ট মেইতেইদের তফসিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারকে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এর পরেই জনজাতি সংগঠনগুলো তার বিরোধিতায় পথে নামে। আর সেখান থেকেই সংঘাতের সূচনা।

    মূলত সমতল এলাকার বাসিন্দা মেইতেইরা মণিপুরের বৃহত্তম জনগোষ্ঠী। অন্যদিকে, কুকি, অঙ্গামি, লুসাই, নাগা, থাড়োয়াসের মতো প্রায় ৩০টি জনজাতি গোষ্ঠীর বাস পাহাড়ি এলাকায়। তাদের আশঙ্কা, জনজাতির মর্যাদা পেলেই পাহাড়ি এলাকার জমিতে হাত বাড়াবে মেইতেইরা। এখন জনজাতির মর্যাদা না পাওয়ায় তারা ওই জমি কিনতে পারে না।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ