ঢাকা বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আইনের শাসন অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক, ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি উপাচার্যের  বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু ‘দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব নেই, রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতো’ জাতীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অ‌ভিযোগ পায়‌নি ইইউ নির্বাচন মিশন কালবৈশাখী তাণ্ডব চালালো নলছিটির জনপদে, ঘর ধসে এক শিশুর মৃত্যু বন্দিদশায় থেকেও দুর্ঘটনার কবলে সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক রাজধানীর গুলশানে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যা সৌদি আরবে আরও দুই বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু ভাইরাসে আক্রান্ত নেইমার
  • ৬০ বিঘার বেশি জমির মালিক হওয়া যাবে না: ভূমিমন্ত্রী

    ৬০ বিঘার বেশি জমির মালিক হওয়া যাবে না: ভূমিমন্ত্রী
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, উত্তরাধিকার সূত্রে হলেও একজন ব্যক্তি ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমির মালিক হতে পারবেন না। তিনি বলেন, তবে সমবায় সমিতি, কোম্পানি ও শিল্পকারখানাসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই আইন শিথিল করা হয়েছে।


    মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩’ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নিয়ে এক সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

    কেউ ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমির মালিক হতে পারবেন না বলে আইনে বলা আছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ভূমিমন্ত্রী বলেন, এ আইনে ব্যক্তিগতভাবে ষাট বিঘার বেশি কৃষি জমির মালিক কেউ হতে পারবেন না।

    বঙ্গবন্ধুর আমলে এটি ১০০ বিঘা ছিল। এরশাদ এসে ষাট বিঘা করেছেন। কিন্তু অনুমতি নিয়ে কোনো কোম্পানি ৫০০ কিংবা এক হাজার বিঘা জমিও নিতে পারবে। 

    তিনি বলেন, আইনের পাঁচ নম্বর বলা আছে, উত্তরাধিকার সূত্রে অর্জিত জমি ৬০ বিঘার বেশি হলে ভূমির মালিক তার পছন্দ অনুসারে ৬০ বিঘা জমি রাখতে পারবেন। অবশিষ্ট জমি সরকারি বিধির মাধ্যমে ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে খাস করতে পারবেন। অথবা ষাট বিঘার বেশি কৃষি জমি থাকলে সেটি বিক্রি করেও দিতে পারেন।

    কার ষাট বিঘার বেশি জমি আছে, তা সরকার কীভাবে জানবে, প্রশ্নে তিনি বলেন, আমাদের কাছে এ সংক্রান্ত ডেটাবেজ আসছে। তখন সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। দেশের যে কোনো জায়গায় জমি থাক না কেন, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ডেটাবেজ দেখে বলা যাবে—আপনার নামে কতটুকু জমি আছে। এমন না যে, আপনি চট্টগ্রামে কিছু কিনলেন, আবার রংপুরে কিনলেন, এভাবে ফাঁকি দিলেন। তা পারবেন না, ডেটাবেজে সব চলে আসবে।

    ভূমিমন্ত্রী বলেন, আপনি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন। কিন্তু যখন এই ভূমি দান করতে যাবেন, তখন নতুন করে রেকর্ড করতে হবে। এখন কেউ যদি কাউকে জমি দান করেন, যাকে দান করা হচ্ছে, তার যদি এরই মধ্যে ষাট বিঘা জমি থাকে, সেই দান তিনি নিতে পারবেন না। যদি সেক্ষেত্রে ষাট বিঘার কম জমি থাকে, তাহলে যতটুকু কম, ততটুকু নিতে পারবেন।

    এ সময়ে ভূমি সচিব খলিলুর রহমান বলেন, অর্থাৎ ষাট বিঘা কৃষি জমি রাখা যাবে। কিন্তু শর্ত মেনে এর বেশিও রাখা যাবে। যেমন, সমবায় সমিতির অনুকূলে সবাই মিলে যদি আরও বেশি জমি রাখতে চান, তাহলে রাখা যাবে। কেউ যদি চা কিংবা কফির বাগান করতে চান, সেখানে তো ষাট বিঘা জমিতে হবে না। সেক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করা হয়েছে।

    সচিব বলেন, এই আইনটা এসেছে ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার আইন থেকে। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর আইন দিয়ে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের নভেম্বর সামরিক আইনে যেসব অধ্যাদেশ ছিল, সেগুলো বিলুপ্ত হওয়ায়। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ওই সময়ের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বলেছে যে, এগুলো ভাষান্তর ও যুগোপযোগী করতে হবে। অর্থাৎ ১৯৮৪ সালের ল্যান্ড রিফর্মস অর্ডিন্যান্সকে ভাষান্তর করে ভূমি সংস্কার আইন করা হয়েছে। শুধু ছোটোখাটো কিছু সংযোজন করা হয়েছে।

    সরকারিসহ রেলওয়ের জমি বেদখলে। তা উদ্ধারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, সময় পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমাদের নিয়মিত রেকর্ড হালনাগাদ হচ্ছে। প্রতিবছর জমি উদ্ধার হচ্ছে। সরকারি জমি সরকারিই থাকবে। ভাসমান কিছু লোক সরকারি জায়গায় বাস করেন। সেটা অস্থায়ী, স্থায়ী না। কারণ ওই জমি যতদিন সরকারের কাজে লাগবে না, ততদিন তারা থাকতে পারবেন।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ