ঢাকা সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪

Motobad news

শাহজাহান ওমরের নির্বাচন করতে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ

 শাহজাহান ওমরের নির্বাচন করতে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ
সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগ করেন বিএনপি ও্ এর অঙ্গসংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী। 
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের শতাধিক নেতাকর্মী দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। আজ মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন তাঁরা।

পদত্যাগ করা নেতাকর্মীরা নিজেদের বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ভাইস চেয়ারম্যান ও ঝালকাঠি-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমরের অনুসারী বলে দাবি করেছেন। শাহজাহান ওমরের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিতে তাঁরা পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন সংবাদ সম্মেলনে।


কাঁঠালিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শাহজাহান ওমরের নির্বাচনী কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তাঁরা নির্বাচন করার ঘোষণা দেন।

পদত্যাগকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির একাংশের সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াছ মিয়া ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ, যুবদলের সহসভাপতি তরিকুল ইসলাম বশির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হাসিব ভুট্টো ও সদস্যসচিব জাকির হোসেন। 

তাঁদের নেতৃত্বে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে আওয়ামী লীগে যোগদান করার ঘোষণা দেন। এ সময় কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আব্দুল জলিল মিয়াজী ও জাকির হোসেন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।


উপজেলা বিএনপির একাংশের সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াছ মিয়া বলেন, ‘আমরা শাহজাহান ওমরের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা। সব সময় তাঁর পাশে ছিলাম, এখনো আছি। তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন, আমরাও তাঁর পক্ষে নির্বাচন করতে প্রস্তুতি নিয়েছি। শাহজাহান ওমরের বিজয় নিশ্চিত হবে।


তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।’ শাহজাহান ওমর গত ২৯ নভেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পান। ৩০ নভেম্বর তিনি গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এ খবরে শাহজাহান ওমরকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান পদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। গতকাল রবিবার ঝালকাঠির রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।


এরপর গতকাল সোমবার কাঁঠালিয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। এ সমাবেশে বিএনপির একাংশের সভাপতি আব্দুল জলিল মিয়াজী একটি বন্দুক নিয়ে শাহজাহান ওমরের পাশে বসা ছিলেন। এ ঘটনার পর আচরণবিধি লঙ্ঘন করার দায়ে ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমরকে শোকজ করে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি। তাঁর বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট পাঠানো হবে না, সে মর্মে আগামী বুধবারের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়।


গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন