ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ববির দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন প্রকল্পে ফিজিবিলিটি স্টাডি, শেলটেকের সঙ্গে চুক্তি পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত নীতিমালা করে মানুষকে ভালো করা যায় না: তথ্যমন্ত্রী ঠিকানায় গিয়ে পাওয়া যায়নি হাসিনাসহ ৩০ জনকে, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দেশকে অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মিথ্যা মামলা বন্ধে পুলিশকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ সাগরে লঘুচাপের প্রভাব, বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত  পলাতক থাকার অভিযোগে বরিশালের দুজনসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা  আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লুট হওয়া পিস্তলসহ ভোলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
  • ভাঙা ঘরে মানবেতর জীবন, পায়নি সরকারি সুবিধা

    ভাঙা ঘরে মানবেতর জীবন, পায়নি সরকারি সুবিধা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    দোচালা মরিচাপরা টিনের জরাজীর্ণ ঘর, নেই বিদ্যুৎ। মেলেনি সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা। রয়েছে খাদ্য সঙ্কট। তবুও মাথা গোঁজার ঠাঁইয়ের জন্য ঘুরেছেন জন-প্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে। পেয়েছেন আশ্বাস। 

    জুটেনি কোনো ধরনের সহায়তা। বলছিলাম পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের তালেব-সুরমা দম্পতির সংগ্রামী জীবন চিত্রের গল্প।

    শুক্রবার দুপুরে রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে অবস্থিত এই দম্পতির বাসায় যায় নয়া দিগন্তের সংবাদদাতা। শুনেছেন দিনমজুর ও শারীরিক প্রতিবন্ধী এই দম্পতির টানাপোড়নের সংসার যাপনের কথা।

    দিনমজুর তালেব মৃধা বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধী স্ত্রীকে নিয়ে জরাজীর্ণ এ ঘরে এক যুগ পাড় করেছেন। কোনো সময়ে হয়নি মতের অমিল। যা আয় করতে পেরেছেন তাতেই সন্তুষ্ট ছিলেন। আমাদের সম্পদ বলতে রয়েছে এই ভিটেমাটি। 

    কয়েক বছর ধরে ঘরটি দিয়ে বর্ষার সময়ে পানিতে ভিজতাম। এমনও দিন গিয়েছে রাতে বসে রইছি। এহন শীতে কষ্ট করি। ঘর সংস্কার করবো সেই সক্ষমতাও নাই। সহায়তার জন্য চেয়ারম্যান-মেম্বারদের কাছে গেলেও পাই নাই।


    আর প্রতিবন্ধী সুরমা জানালেন সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা পায় না তারা। সরকারি একটা ঘরের জন্য অনেক ঘুরেছেন। কেউ পাত্তা দেয়নি। একটা প্রতিবন্ধী ভাতার নামও নাই তার। ‘আমনেগো মাধ্যমে একটা ঘর চাই সরকারের কাছে।’ সম্প্রতি এই বসতির মানবেতর জীবনযাপনের কথা শুনে ২ বান ঢেউটিন ও নগদ ৬ হাজার টাকা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

    এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানায়, তারা খুব কষ্টে আছে। তাদের কোনো ফসলি জমি নেই। দিনমজুরের কাজ করে চলে সংসার। এদের জন্য সহায়তার কোনো নজির চোখে পড়েনি। তাদেরকে মাথা গোঁজার জন্য একটা ঘরের ব্যবস্থা করে দিলে শান্তিতে রাত্রিপাড় করতে পারবে।


    সরেজমিনে দেখা গেল, ভিটেতে রয়েছে দোচালা জরাজীর্ণ বসতঘর। ঘরের মধ্যে চুলায় রান্না বসিয়েছেন সুরমা বেগম। মেজেতে রয়েছে ছোট একটি নড়বড়ে শয়নের চৌকি। ঘরের একপাশে টিন আর তিন পাশে হোগলা পাতার বেড়া। এখানেই বসবাস করছেন নিঃসন্তান ওই দম্পতি।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, তাদের অসহায়ত্বের কথা শুনে ২ বান ঢেউটিন ও নগদ ৬ হাজার টাকা দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে সরকারি সকল সুবিধার আওতায় তাদেরকে নিয়ে আসা হবে।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ