ঢাকা মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • জ্বালানি তেলে অনিয়ম রোধে ডিসিদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ নাব্যতা সংকটে হুমকিতে দক্ষিণাঞ্চলের নৌ যোগাযোগ! ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রেফতার সরকারি হাসপাতালে দালালদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: র‍্যাব মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মন্তব্য, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নামে মামলা গরুর জাত ও ধরন অনুযায়ী মাংসের দাম নির্ধারণে আইনি নোটিশ বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলেন যুদ্ধে যাই’ জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের রাডার গুঁড়িয়ে দিলো ইরান ১৮ মাসের কাজ গড়িয়েছে ৪৮ মাসে, তবুও শেষ হয়নি নির্মাণ কাজ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
  • হিজাব না খোলায় শাস্তি পেলেন চার দাখিল পরীক্ষার্থী

    হিজাব না খোলায় শাস্তি পেলেন চার দাখিল পরীক্ষার্থী
    ছবি: সংগৃহীত 
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পটুয়াখালীর বাউফলে দাখিল পরীক্ষার একটি কেন্দ্রে হিজাব না খোলায় চারজন ছাত্রীকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

    বুধবার (২৩ এপ্রিল) ছালেহিয়া ফাযিল মাদরাসা কেন্দ্রের হাদিস বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শনে আসা ট্যাগ অফিসার চারজন হিজাব পরিহিতা ছাত্রীকে মুখ না খোলার কারণে তাদের উত্তরপত্র কেড়ে নেন। একজন ছাত্রীর কান্নার পর তার খাতা ফেরত দিলেও বাকি তিনজনের খাতা পরীক্ষা শেষে আর ফেরত দেওয়া হয়নি।


    জানা যায়, বাউফলের ছালেহিয়া ফাযিল মাদরাসা কেন্দ্র থেকে এ বছর মোট ১৭২ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এই কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) প্রকল্প কর্মকর্তা তুরাল প্রামাণিক। দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে হাদিস বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের উত্তর ভবনের দ্বিতীয় তলার পশ্চিম পাশের কক্ষে প্রবেশ করে ট্যাগ অফিসার পরীক্ষার্থীদের হিজাব খোলার নির্দেশ দেন।

    উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, হঠাৎ একজন কালো পোশাক পরা পুরুষ কর্মকর্তা কক্ষে প্রবেশ করে সবাইকে মুখ দেখাতে বলেন। অনেক ছাত্রী আপত্তি জানালেও তাকে থামানো যায়নি। চারজন ছাত্রী মুখ না খোলায় তাদের খাতা কেড়ে নেওয়া হয়। একজন শিক্ষার্থী কান্নাকাটি শুরু করলে কিছু সময় পর তার খাতা ফিরিয়ে দেওয়া হয়। অন্য তিনজনের খাতা ফেরত দেওয়া হয়নি।


    এক পরীক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমি ৮০ নম্বরের উত্তর লিখেছি। হিজাব না খোলার কারণে তিনি আমার খাতা নিয়ে গেছেন। এটা আমাদের ধর্মীয় অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। আমরা লজ্জিত, অপমানিত এবং আতঙ্কিত।

    এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিব ও মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নজিরুল হক বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আজ কোনো ম্যাজিস্ট্রেট পরীক্ষা কেন্দ্রে ছিল না। শুধু ট্যাগ অফিসার ছিলেন।

    অপরদিকে, ট্যাগ অফিসার তুরাল প্রামাণিক বলেন, আমি কোনো শিক্ষার্থীর খাতা নেইনি, হিজাব খোলার প্রশ্নই আসে না। তবে কেন্দ্রের অধ্যক্ষ কয়েকজন ছাত্রীকে হিজাব খুলতে বলেছেন, তারা ভুয়া কিনা যাচাই করার জন্য।

    এ ব্যাপারে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফোন দেওয়া হলে তিনি কেটে দেন। পরে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বার্তা দিলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তিনি সেই বার্তার ব্যাপারে কিছু লিখেননি।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ