ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিরসনে পুলিশের আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান বিচ কার্নিভালে উৎসবের আমেজে মাতোয়ারা লক্ষাধিক পর্যটক বরিশাল প্রেসক্লাব অডিটোরিয়াম সংস্কার কাজের উদ্বোধন করলেন বিসিসি প্রশাসক শিরীন ইতালিতে একের পর এক ১২টি ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি কাশিপুরে গ্যাসের গোডাউন থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার মাল‍ামাল চুরি  এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে থাকা পুকুর পরিষ্কারের উদ্যোগ বাকেরগঞ্জে স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধের জেরে যুবকের আত্মহত্যা ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেতে পারে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বরিশালে ‍ইয়াবাসহ চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য ও তার স্ত্রী গ্রেফতার মঠবাড়িয়া পৌর শহরে সিসিটিভি ক্যামেরা অচল, অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে 
  • অভাবের টানে সন্তান বিক্রি, ফিরিয়ে দিলেন ইউএনও

    অভাবের টানে সন্তান বিক্রি, ফিরিয়ে দিলেন ইউএনও
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    টাঙ্গাইলের গোপালপুরে করোনাভাইরাসে কর্মহীন হয়ে অর্থাভাবে ৪৫ হাজার টাকায় তিন মাসের সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ১৬ দিন পর স্থানীয় প্রশাসন শুক্রবার (১৬ জুলাই) শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছেন।

    জানা গেছে, উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের সৈয়দপুর পূর্বপাড়া গ্রামের দিনমজুর শাহ আলম ও রাবেয়া দম্পতির তিন পুত্র সন্তান। দিনমজুর শাহ আলমের উপার্জনে পাঁচজনের সংসার চলতো না। এরই মধ্যে করোনায় কয়েকমাস ধরে বেকার শাহ আলম। বেশ কিছু ঋণও রয়েছে। পাওনাদাররা প্রতিদিনই সেজন্য তাগাদা দিচ্ছিলেন। হতাশায় সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় পাওনা টাকা পরিশোধ ও সংসারের অভাব অনটনের কারণে তিনমাস বয়সী শিশুকে বাইশকাইল গৈজারপাড়া গ্রামের সবুজ মিয়া ও স্বপ্না দম্পতির কাছে ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়।

    এ বিষয়ে গোপালপুর থানার ওসি মোশাররফ হোসেন বলেন, সবুজ ও স্বপ্না দম্পতি নিঃসন্তান। তারা শাহ আলম-রাবেয়া দম্পতির অভাব অনটনের সুযোগ নিয়ে টাকার বিনিময়ে শিশুটি কিনে নেয়। আদালতের অনুমতি নিয়ে দত্তক নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু তারা সেটি করেনি। এমতাবস্থায় প্রশাসন সবুজ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিশু আলহাজকে উদ্ধার করে মা রাবেয়া বেগমের কোলে পৌঁছে দেয়। কেউ আগ্রহ প্রকাশ না করায় এবং মানবিক দিক বিবেচনায় থানায় কোন মামলা নেয়া হয়নি।

    গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজ মল্লিক জানান, ঘটনার নেপথ্যে দারিদ্র্যতা। পরিবারটিকে সার্বিকভাবে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। রাবেয়া বেগমকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে আয়া পদে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছে। নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তাও দেয়া হয়েছে।

    জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি বলেন, ওই শিশুর যাবতীয় ভরণপোষণ ও লেখাপড়ার দায়িত্ব নেওয়া হবে।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ