ঢাকা মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ঝালকাঠিতে ১২০ গাছ কাটার পর স্থগিত ২ হাজার গাছ কাটার প্রকল্প দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ ইরানের হামলায় ইসরায়েলে নিহত ১২, আহত প্রায় ৩ হাজার
  • গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্য চরমে

    গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্য চরমে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    মহামারিতে আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় ঈদে ঘরমুখো মানুষের কাছ থেকে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

    শনিবার (১৭ জুলাই) এক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশকালে এ দাবি জানানো হয়।


    গত ১৫ ও ১৬ জুলাই থেকে শুরু হওয়া গণপরিবহনে যাত্রীদের যাতায়াত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে সমিতি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার মানুষের জীবন-জীবিকা ও ঈদে অর্থনীতির কথা বিবেচনা করে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণের শর্তে ৬০ ভাগ বর্ধিত ভাড়া আদায় সাপেক্ষে সব শ্রেণির গণপরিবহন চালু করেছে। এতে যাত্রী, চালক, কন্ডাক্টর ও সহকারী সবার বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান করার কথা ছিল। অর্ধেক আসনে যাত্রী নেয়া ও জীবাণুনাশক ছিটিয়ে পরিবহন জীবাণুমুক্ত করার নির্দেশনা দেয়া হয়। রাজধানী ও দেশের বিভিন্ন জেলার গণপরিবহন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, এ সব শর্তাবলির মধ্যে শুধু মাস্ক পরিধানের বিষয়টি অধিকাংশ পরিবহনে অনুসরণ করলেও অন্যান্য শর্তাবলি মানা হচ্ছে না।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বেশিরভাগ পরিবহনে আসন ভর্তি করে যাত্রী তোলার পাশাপাশি অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চলছে। সরকার গণপরিবহনে ৬০ ভাগ বর্ধিত ভাড়া আদায়ের নির্দেশনা দিলেও কোনো কোনো পরিবহনে ৩০০ থেকে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

    যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, নৌপথের বিভিন্ন রুটের লঞ্চ ও স্টিমারের পাশাপাশি খেয়াঘাটগুলোতে গত দুদিনে যাত্রী পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে। যাত্রীপ্রতি ২ টাকা ভাড়া আদায়ের স্থলে কোনো কোনো খেয়াঘাটে ১০ টাকা, কোথাও ২০-৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া নৌপথে অধিকাংশ লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে গাদাগাদি করে যাত্রী বহন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে দেখা গেছে।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ