ঢাকা বুধবার, ১২ মে ২০২১

Motobad news

বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ১১৫, মৃত্যু ২

বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ১১৫, মৃত্যু ২

 

বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায়  আরও ১১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে বিভাগটিতে আরও দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।

এরা হলেন, ভোলা সদরের উকিলপাড়া এলাকার হুমায়ুন কবির (৫০)  ও পিরোজপুরের নাজিরপুর এলাকার ধীরেন হালদার (৬০)।
এ নিয়ে বিভাগটিতে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ২২৫ জনে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে তিন জন ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।


বিভাগীয় স্বাস্থ্য দফতর বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভোলা জেলায় ৩২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বরিশাল জেলায় ৩১ জন, ঝালকাঠিতে ২২ জন, পটুয়াখালীতে ১৫ জন, পিরোজপুরে ১২ জন ও বরগুনায় তিন জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৩ মাসে বরিশাল বিভাগে মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৬৩০ জন। এরমধ্যে সর্বোচ্চ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বরিশাল জেলায় পাঁচ হাজার ৭৫০ জন, এরপর পটুয়াখালীতে এক হাজার ৯২৫ জন, পিরোজপুরে এক হাজার ৩৯৪ জন, ভোলা এক হাজার ৩৮৯ জন, বরগুনায় এক হাজার ১৩১ জন এবং ঝালকাঠিতে এক হাজার ৪১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ২৭ জন রোগী বরিশাল বিভাগে করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়েছেন। এনিয়ে বিভাগটিতে মোট সুস্থ হয়েছেন ১০ হাজার ৮৩৫ জন। অর্থাৎ আক্রান্ত শনাক্তের মধ্যে এক হাজার ৭৯৫ জন করোনা রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে কিছু রোগী হাসপাতালে, অন্যরা নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন।

বিভাগটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন বরিশাল জেলায়। এ বিভাগে করোনায় মোট মৃত ২২৫ জনের মধ্যে বরিশাল জেলায় সর্বোচ্চ ৯৫ জন, এরপর পটুয়াখালীতে ৪৬ জন, পিরোজপুরে ২৮ জন, বরগুনায় ২২ জন, ঝালকাঠিতে ২০ জন এবং ভোলায় ১৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস বলেন, করোনার প্রথম ঢেউয়ে বরিশাল বিভাগে সংক্রমণের হার কম ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের হার বেশি। এ অবস্থায় শুধু করোনার টিকা গ্রহণ করলেই চলবে না স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

প্রসঙ্গত, বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বপ্রথম ২০২০ সালের ৯ মার্চ নারায়ণগঞ্জ ফেরত পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার এক শ্রমিকের করোনা শনাক্ত হয়। সেদিন থেকে অদ্যবধি ৩৯৯ দিনের এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
 


এইচকেআর