ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • উদ্বোধনী ম্যাচের মতো ডি থ্রি টি-টোয়েন্টির ফাইনালও বরিশালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ডোবায় ইতালি পরিবহন নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞায় পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে জেলেদের নিউইয়র্ক স্টেটের বার পরীক্ষার সনদ পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তাসিন স্থানীয় নির্বাচন:  বরগুনায় ইসলামী আন্দোলনের ৪৫ প্রার্থী ঘোষণা ‎বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি ওমর ফারুক, সম্পাদক আল আমিন গাজী সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা মানিকের লাশ দাফনে বাধা, গোপনে গার্ড অব অনার বরিশালে বিএনপি নেতার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের দখলকৃত জমি উদ্ধার ও মাজার কার্যক্রম বন্ধ নাজমুল হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ উজিরপুরে যুবদলকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৯
  • সব সিনেমাই ফ্লপ, তবুও কেন পরীর জন্য মরিয়া সবাই?

    সব সিনেমাই ফ্লপ, তবুও কেন পরীর জন্য মরিয়া সবাই?
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২০১৫ সালের ঘটনা। তখনো পরীমণির কোনো সিনেমা মুক্তি পায়নি। অথচ ওই সময়েই তার হাতে ২৩টি সিনেমার কাজ! রাতারাতি ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিকে নাড়িয়ে দেন সুদর্শনা এ তরুণী। প্রথম সিনেমা মুক্তির আগেই কোনো নায়িকার হাতে দুই ডজন সিনেমা আসার ঘটনা ইতিহাসে বিরল।

    পরীমণি অভিনীত প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ভালোবাসা সীমাহীন’। শাহ আলম মণ্ডল পরিচালিত ওই সিনেমায় জায়েদ খান ও আনিসুর রহমান মিলনের সঙ্গে অভিনয় করেন তিনি। মুক্তির পর সিনেমাটি মুখ থুবড়ে পড়ে। কিন্তু তাতে কী, পরীর হাতে যেন বৃষ্টিধারার মতোই সিনেমার প্রস্তাব আসতে থাকে।


    এ পর্যন্ত প্রায় ৩০টি সিনেমায় কাজ করেছেন পরী। এর মধ্যে কোনো সিনেমাই ব্যবসায়িক সাফল্য পায়নি। কেবল কয়েকটি সিনেমা আলোচনার টেবিলে ছিল। এগুলো হলো ‘স্বপ্নজাল’, ‘অন্তর জ্বালা’, ‘আরো ভালোবাসব তোমায়’, রক্ত’ ও ‘বিশ্বসুন্দরী’। সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা গণমাধ্যমে সিনেমাগুলো নিয়ে চর্চা হলেও প্রেক্ষাগৃহ ছিল ফাঁকা। এসবের কারণে পরীকে বলা হয়ে থাকে ‘ফ্লপের রাণী’।

    প্রশ্ন হলো, প্রতিটি সিনেমা ফ্লপ হওয়ার পরও নির্মাতা-প্রযোজকরা কেন পরীমণিকে নিয়ে মরিয়া? কেন একের পর এক নতুন সিনেমায় তাকে নেওয়া হতো? শোনা যায়, সিনেমার পেছনে মূলত অন্য উদ্দেশ্যেই এই নায়িকাকে চুক্তিবদ্ধ করতেন নির্মাতা-প্রযোজকরা।

    বুধবার (৪ আগস্ট) বিকালে পরীমণির বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করেছে র‍্যাব। মাদক আইনে তার বিরুদ্ধে মামলাও প্রক্রিয়াধীন। এই ঘটনার পর বেরিয়ে আসছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, মিশু নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল পরীর। তিনিই পরীমণিকে বিভিন্ন পার্টিতে নিয়ে যেতেন এবং উচ্চবিত্ত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে বিশেষ উদ্দেশ্যে পরিচয় করিয়ে দিতেন। সেসব ব্যক্তির সঙ্গে ‘বিশেষ সঙ্গ’ ও পার্টিতে অংশ নিয়ে অর্থ আয় করতেন পরী।

    সিনেমা অঙ্গনে কান পাতলে শোনা যায়, কথিত কিছু চিত্রপরিচালকও পরীমণির জন্য এমন কাজ করতেন। তাদের মাধ্যমে সম্পদশালী প্রযোজক ও ব্যক্তিদের সঙ্গে পরীর সখ্য হতো। এ থেকে পরীর যেমন বিপুল অর্ত আয় হতো, মাধ্যম হিসেবে কাজ করা ব্যক্তিরাও পেতেন অংশ। আর এসব কারণেই ফ্লপের পর ফ্লপ হলেও পরীকে সিনেমায় নেয়ার জন্য আগ্রহী ছিলেন তারা।

    ঢাকাই সিনেমার প্রথম সারির নায়িকাদের পারিশ্রমিক ১ থেকে ৫ লাখের মধ্যে ওঠা-নামা করে। দু’একজন নায়িকা মাঝেমধ্যে সিনেমা প্রতি ৭-৮ লাখ পর্যন্ত নেয়ার কথা শোনা যায়। সেই হিসাব মতে, পরীমণি অভিনীত সিনেমার সংখ্যা এবং তার অর্থ-সম্পদ ও বিলাসবহুল জীবনের সমীকরণ মেলানো সম্ভব না। কেননা সিনেমা থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে এমন জীবন ধারণ করা অকল্পনীয়ই বটে।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ