বিড়িতে সুখটান দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন ফয়জুল হক

‘বিড়িতে সুখটান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে’— এ মন্তব্যের ব্যাখা দিয়েছেন ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী ড. ফয়জুল হক।
তিনি বলেছেন, আমি যখন গ্রামে বক্তব্য দিই— সেখানে গ্রামে অবস্থানরত সব পেশার মানুষকে উদ্দেশ করে বলার চেষ্টা করি। যেমন— একজন দাড়িওয়ালা, দাড়িছাড়া, তরিকা চর্চা করে কিংবা তাবলিগ, হেফাজত কিংবা বিড়ি খাওয়া লোক অথবা বিড়ি না খাওয়া লোক— যে কোনো নাগরিকই আমার ভোটার।
তিনি বলেন, আমার বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল— বাংলাদেশে যারা বিড়ি বা সিগারেট খায়, এই খাবারে অভ্যস্ত অবস্থায় দোকানে গিয়ে তারা বসেন এবং বিড়ি খাবেন। সেই বিড়ি খাওয়া অবস্থায় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে দাঁড়ান। আপনার জীবন হয়তো এর কারণে পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে অবস্থান করার কারণে একটা সময় আল্লাহ আপনাকে মাফ করে দিয়ে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি এসব ব্যাখ্যা দেন।
ড. ফয়জুল হক বলেন, আমার বক্তব্যকে কেউ হয়তো বুঝতে ভুল করেছে। কিন্তু যার সম্পূর্ণ বক্তব্য আমার ফেসবুক পেজে আছে। আমার বক্তব্যের মূল আকর্ষণটাই হলো একজন এমপি সে গণমানুষের এমপি। অতএব একজন এমপি প্রার্থী সে শ্রেণি-পেশার মানুষকে টার্গেট করেই বক্তব্য দেবে।
ফয়জুল হক আরও বলেন, একজন বিড়ি খাওয়া মানুষ সে কি দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতে পারবেন না। সে কি আমার ভোটার না? সেই জায়গায় থেকেই আমি বলেছি। আল্লাহ চাইলে ওই ব্যক্তিকে ভালো করে দিতে পারে। অতএব, সবাই আমার ভোটার, তাদের নিয়েই আমার বক্তব্য। এটি পূর্বে ছিল, গতকালও ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। হয়তো অনেকে বুঝতে ভুল করেছে।
এর আগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে রাজাপুরে নির্বাচনী উঠান বৈঠকে ‘বিড়িতে সুখটান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে’ বলে মন্তব্য করেছেন ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক।