ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ‘স্বপ্নের সেতু’ নির্মাণ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে গিয়ে অবরুদ্ধ সেতুমন্ত্রী বাজারে পাঁচ টাকার নতুন নোট, কী আছে ডিজাইনে শেখ হাসিনার প্রতি আমাদের ইনসাফ থাকবে: তথ্য উপদেষ্টা ১০ নম্বর জার্সি ফিরে পেলে নেইমার ছোঁবেন পেলেকে নদীতে ভিটেমাটি হারিয়ে জিওব্যাগের ওপর হাবিব দম্পতির বসবাস  যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে ২ কিশোরের বন্দুক হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৫ হাম রোগীর জন্য আলাদা ওয়ার্ড বাধ্যতামূলক : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আকস্মিক বরিশাল নৌ-বন্দরে প্রতিমন্ত্রী রাজিব, অতঃপর পবিপ্রবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর হামলা, বিএনপির আরও দুই নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি বরিশালে হামে আরো দুই শিশুর মৃত্যু
  • ‘স্বপ্নের সেতু’ নির্মাণ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে গিয়ে অবরুদ্ধ সেতুমন্ত্রী

     ‘স্বপ্নের সেতু’ নির্মাণ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে গিয়ে অবরুদ্ধ সেতুমন্ত্রী
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাউফলের বগা এলাকায় লোহালিয়া নদীর ওপর প্রস্তাবিত ‘স্বপ্নের সেতু’ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে গিয়ে বিএনপি-জামায়াত সমর্থকদের মুখোমুখি হয়ে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

    মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর ১টার দিকে সেতুমন্ত্রী বগা ফেরিঘাটে পৌঁছান। সেখান থেকে নদীর পূর্বপাড়ে আয়োজিত এক সভায় যোগ দিতে ফেরিতে ওঠেন। সভার আয়োজন করেছিলেন বাউফল আসনের জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

    তবে সভাস্থলে মন্ত্রীর যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দেন। মন্ত্রী পূর্বপাড়ে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে বিভিন্ন দিক থেকে ঘিরে ফেলে সেতুমন্ত্রীর গাড়িবহর অবরুদ্ধ করা হয়। এ সময় উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকেন।

    প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর পরিস্থিতিতে বিরক্ত হয়ে সেতুমন্ত্রী একই ফেরিতে পশ্চিমপাড়ে ফিরে যান। পরে তিনি গাড়িবহর নিয়ে পটুয়াখালীর উদ্দেশে রওনা দেন।

    ঘটনাস্থলে পটুয়াখালীর এমপি আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সেতুমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন বাউফলের এমপি ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, জামায়াত আয়োজিত সভায় মন্ত্রীকে অংশ নিতে না দিতেই পরিকল্পিতভাবে বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। ঘটনাস্থলে বাউফলের বিএনপির পরাজিত এমপি প্রার্থী শহীদুল আলম তালুকদারসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

    ঘটনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। অন্যদিকে বিএনপির স্থানীয় শীর্ষ নেতারাও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    তবে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ কালবেলাকে বলেন, সভাস্থলের ব্যানারে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ছবি না থাকায় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা সেতুমন্ত্রীকে অবরুদ্ধ করেছিলেন। এ ছাড়া আর কোনো তথ্য তিনি দিতে পারেননি।

    উল্লেখ্য, বাউফলের লোহালিয়া নদীতে বাংলাদেশ-চীন নবম মৈত্রী সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল বিগত সরকারের আমলে। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই উদ্যোগ স্থবির হয়ে পড়ে। পরে জাতীয় সংসদে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সেতুমন্ত্রীকে বাউফল সফরের আমন্ত্রণ জানান এমপি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

    এ ঘটনায় প্রস্তাবিত ‘স্বপ্নের সেতু’ নির্মাণের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ