ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বরিশালে বিসিসির ঝটিকা অভিযান উজিরপুরে সাড়ে ৩ কেজির বেশি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ ঝালকাঠির সুগন্ধায় স্পিডবোর্ট দুর্ঘটনায় ইউএনওসহ আহত ৯ নলছিটিতে তিন কেজি গাঁজাসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার জান্নাতুল বানাত মাদ্রাসায় ফলাফল প্রকাশ ও ত্রিমাসিক অভিভাবক সমাবেশ  বরিশালে দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে এসআরবি-৮, পরিদর্শন করলেন ৭৫টি মণ্ডপ বরিশালে ১৭তম মৃৎশিল্পী সম্মেলন ও সম্মাননা  দিল্লিতে পতাকা মিছিলের আগে আটক সিজেপির অভিজিৎ দীপকে ‘চাঁদাবাজির প্রশ্নে যদি কোনো সমস্যা থাকে, হয় আপনি থাকবেন না হয় চাঁদাবাজ থাকবে’ গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় কাতার প্রবাসী নিহত
  • পিরোজপুরে নিখোঁজ ওজার নিথরদেহ মিললো পরিত্যক্ত ঘরে, স্বর্ণালঙ্কার লুট

    পিরোজপুরে নিখোঁজ ওজার নিথরদেহ মিললো পরিত্যক্ত ঘরে, স্বর্ণালঙ্কার লুট
    ছবি অনলাইন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নির্মল হালদার ওরফে নির্মল ওজা (৬০) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। (১৯ মে) মঙ্গলবার সকালে উপজেলার স্বরূপকাঠি সদর ইউনিয়নের পানাউল্লাহপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরের পাশ থেকে তার নিথরদেহ উদ্ধার করা হয়। নির্মল হালদার উপজেলার পশ্চিম কুড়িয়ানা গ্রামের বিপেন হালদারের ছেলে।

    নিহতের ভাগিনা দিলীপ হালদার জানান, সোমবার রাত ১১টার দিকে তিনি তার মামার নিখোঁজ হওয়ার খবর পান। এরপর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে তাঁকে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। মঙ্গলবার সকালে লোকমুখে খবর পেয়ে তারা পানাউল্লাহপুর গ্রামে গিয়ে নির্মলের লাশ শনাক্ত করেন।

    তিনি আরও জানান, তার মামার সাথে কারো কোনো শত্রুতা ছিল না। তবে তিনি সবসময় গলায় প্রায় দেড় ভরি ওজনের দুটি স্বর্ণের লকেট পরতেন এবং তার কাছে নগদ টাকাও থাকত। প্রতিবেশী সমিরণ রায় জানান, নির্মল ওজা হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন এবং মানুষের বিপদে-আপদে টাকা ধার দিতেন।

    সোমবার বিকেলে তিনি বাজারে গিয়েছিলেন। রাত ৮টার পর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না এবং তার মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। সকালে পানাউল্লাহপুর গ্রামে তার লাশ পাওয়ার খবর আসে। তিনি জানান, নির্মলের গলায় স্বর্ণের লকেট ছিল এবং ওইদিন তার কাছে টাকাও ছিল।

    আরেক প্রতিবেশী অমল রায় জানান, নির্মল ওজা এলাকার মানুষকে বিভিন্ন সময় আর্থিক সহায়তা করতেন। এক সপ্তাহ আগেই তিনি তাকে ৫০ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন। মানুষের সাথে তার এই আর্থিক লেনদেনের ধরণ সবার জানা ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    এবিষয় নেছারাবাদ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, লাশের গলায় কোনো স্বর্ণের লকেট পাওয়া যায়নি। এমনকি তার সাথে থাকা মোবাইল ফোন বা টাকাও পাওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে।

    তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত ধরণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এলাকাবাসীর ধারণা, টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
     


    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ