ভোলায় ভাড়া বাসায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

ভোলার শহরের উকিলপাড়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে সুমাইয়া আক্তার মিতু (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উকিলপাড়া গোরস্থান মাদ্রাসার সামনে একটি পাঁচতলা ভবনের ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই স্বামী সোহাগ পলাতক রয়েছেন।
নিহতের বাবা-মার দাবি, মিতুকে হত্যা করা হয়েছে।
মিতুর মা আয়শা বেগম জানান, সকালে তার মেয়ের জামাই সোহাগ ফোন করে তাকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে মর্মে জানিয়ে লাইন কেটে দেয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার বিছানার ওপর মিতুর মরদেহ দেখতে পান।
নিহতের বাবা মো. বশিরের অভিযোগ, জামাই সোহাগের সঙ্গে মিতুর দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার বিচার-সালিশও হয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, সোহাগ আগেও একটি বিয়ে করেছিলেন এবং সেই স্ত্রীর মৃত্যুও রহস্যজনক ছিল।
নিহত সুমাইয়া আক্তার মিতুর তিন বছর বয়সী ওয়াকিয়া নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে। স্বামী সোহাগ ভোলা শহরের একটি গ্লাসের দোকান পরিচালনা করতেন।
স্বামী সোহাগের বাড়ি দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ঘুইংগারহাট এলাকার মাস্টার বাড়ি। নিহত মিতুর বাড়ি একই উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মিয়ারহাট এলাকার কবিরাজ বাড়ি। পাঁচ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করেন।
ভোলা সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জিয়া উদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নিবে। মৃতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও পুলিশ জানান।
এইচকেআর