অগ্রণী হাউজিংয়ের এমডির ঘটনায় নতুন তথ্য জানালেন লিটুর স্ত্রী লুবনা

অগ্রণী হাউজিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) সাথে সংঘটিত ঘটনাটি কোন রাজনৈতিক বা চাঁদাবাজির বিষয় নয় বলে দাবি করেছেন ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটুর স্ত্রী মৌসুমি আক্তার লুবনা।
তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন ধরে ব্যবসায়ীক ১৭ লক্ষাধিক টাকা পাওয়া নিয়ে আদায় করতে না পেরে ক্ষোভের বসবতি হয়ে এই অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (০৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন লুবনা।
এসময় মোস্তাফিজুর রহমান পিন্টুর স্বজন ছাড়াও গ্রেপ্তার আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী, এবং অগ্রণী হাউজিংয়ের পরিচালক মাহাবুব রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মৌসুমি আক্তার লুবনা বলেন, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও যোগাযোগ মাধ্যমে অগ্রণী হাউজিংয়ের এমডিকে নিয়ে একটি সংবাদ প্রচার হতে দেখেছি। আমরা এই ঘটনার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
তিনি বলেন, মোস্তাফিজুর রহমান লিটু দীর্ঘদিন যাবত অগ্রণী হাউজিংয়ে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার অগ্রণী হাউজিংয়ে ২৯ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা বিনিয়োগ ছিল। সেখান থেকে তিনি কোন প্রকার লভ্যাংশ ছাড়া মাত্র ১২ লাখ টাকা পেয়েছেন। বাকি টাকা ও লাভের অংশ অনেক বার চাওয়ার পরেও দেয়নি এবং লাভের কোন হিসাবও দেখায়নি। এ কারণে এই অনাকাক্সিক্ষত ঘটনাটি ঘটেছে।
তিনি বলেন, এটিকে কোন ভাবেই রাজনীতির সাথে মেলানোর কোন সুযোগ নেই। তাছাড়া এটা কোন চাঁদাবাজি নয়, পাওয়া টাকা চাওয়ার জন্য মোস্তাফিজুর রহমান লিটু সেখানে গিয়েছিলেন। টাকা না দেওয়ার কারণে এই অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটেছে। মোস্তাফিজুর রহমান লিটুর সাথে গ্রেপ্তার হওয়া আবুল কালাম আজাদও হাউজিংয়ের একজন পরিচালক। তিনিও প্রতারণার শিকার হয়েছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আজিজ কর্তৃক।
সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া অগ্রণী হাউজিংয়ের অপর পরিচালক মাহাবুবুর রহমান বলেন, তিনি ২০১২ সালে অগ্রণী হাউজিংয়ের ব্যবসায় ২৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত ব্যবসার লাভ এমনকি বিনিয়োগের মূল টাকাও ফেরত পাচ্ছি না। এমনকি এমডির বড় ভাই নিজেও প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তিনি আদালতে মামলাও করেছেন। আমরা চেয়েছিলাম টাকা স্বাভাবিকভাবে টাকা ফেরত পেতে।
এসময় ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত এবং অগ্রণী হাউজিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্তৃক আত্মসাতকৃত টাকা আদায়ে প্রশাসনের সহযোগিতা চান ভুক্তভোগীরা।
এইচকেআর