দৌলতখানে মেঘনায় ট্রলার থেকে পড়ে নিখোঁজের ৩৯দিনেও সন্ধান মেলেনি সোহাগের

ভোলার দৌলতখানে মেঘনা নদীতে ট্রলার থেকে পড়ে নিখোঁজ হওয়া জেলেপুত্র সোহাগের গত ৩৯ দিনেও কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ সোহাগ উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় জেলে ইসমাইল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় ও নিখোঁজের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ আগস্ট সকালে উপজেলার ভবানীপুরের হাবিবুর রহমান হাবু চেয়ারম্যানের মাছঘাট থেকে সোহাগ, তার সহোদর তিন ভাই ও বাবার সঙ্গে একটি ট্রলারে চড়ে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। ট্রলারটি বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাকিমুদ্দিন-মীর্জাকালু লঞ্চঘাট এলাকার পূর্ব দিকে ছালুর চরসংলগ্ন মেঘনা নদীতে পৌঁছালে চলন্ত ট্রলার থেকে আচমকা নদীতে পড়ে যান সোহাগ।
ওই সময় ট্রলারে থাকা বাবা ইসমাইল মাঝি সন্তানকে বাঁচাতে তৎক্ষণাৎ নদীতে ঝাঁপ দিলেও তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন। মুহূর্তের মধ্যেই মেঘনার উত্তাল ও তীব্র স্রোতে তলিয়ে যান সোহাগ।
সন্তানহারা ইসমাইল মাঝি বলেন, ১ মাস ৯ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও কোথাও আমার ছেলের খোঁজ পেলাম না। ভোলার লালমোহন, তজুমদ্দিন, চরফ্যাশন ও মনপুরার মেঘনা নদীসহ লক্ষ্মীপুরের রামগতি এবং নোয়াখালীর হাতিয়ার বিভিন্ন ডুবচরে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দৌলতখান থানার ওসি ফখরুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। নিখোঁজ সোহাগের সন্ধান চেয়ে আশপাশের সব নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি ও থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে।
এইচকেআর