ঢাকা সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে বিএনপি নেতা ‘অপহরণ’, আ'লীগ নেতা, সাবেক পুলিশ কমিশনার ও ডিসির বিরুদ্ধে মামলা মোহনায় ভেসে এলো ২২ কেজির কোরাল, ১৯ হাজারে বিক্রি ঝালকাঠিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে ক্যাবের মানববন্ধন সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে: তথ্যমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করা হবে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী দুই শতাধিক ব্যক্তির মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ  রহমতের দশকে আত্মশুদ্ধির ডাক: আজ দ্বিতীয়  ভাঙনের কবলে বরগুনার পর্যটনস্পট শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত নকলের মতোই শিক্ষাঙ্গন হবে মাদক-সন্ত্রাস ও ইভটিজিং মুক্ত: শিক্ষামন্ত্রী
  • ২০০ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ‘মাদ্রাজ কাফে’র অভিনেত্রী

    ২০০ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ‘মাদ্রাজ কাফে’র অভিনেত্রী
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২০০ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন অভিনেত্রী লীনা মারিয়া পাল। রবিবার দিল্লি পুলিশের ইকোনমিক অফেন্সেস উইং তাকে গ্রেফতার করে। জেলবন্দি প্রেমিকের হয়েই এই তছরূপের কাজ করছিলেন লীনা। লীনা বলিউডের পরিচিত মুখ। ২০১৩ সালে ‘মাদ্রাজ কাফে’-তে দেখা গিয়েছিল তাকে।

    লীনার প্রেমিক এস চন্দ্রশেখর কয়েক মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন। তাকে দিল্লির রোহিণী জেলে রাখা হয়েছে। এস চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, প্রতারণা-সহ ২১টি অভিযোগ রয়েছে। বন্দি অবস্থাতেও তিনি এই সমস্ত কুকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানতে পারে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এই কাজে তাকে জেলের দু’জন অফিসারও সাহায্য করছিলেন। পাশাপাশি প্রেমিকা, অভিনেত্রী লীনা এবং আরও দুই সহযোগী ছিলেন চন্দ্রশেখরের। লীনার সঙ্গে ওই দুই সহযোগী এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট জেল সুপারিটেন্ডেন্ট এবং ডেপুটি সুপারিটেন্ডেন্টও গ্রেফতার হয়েছেন। অপরাধের কথা স্বীকারও করেছেন রোহিণী জেলের দায়িত্বে থাকা এই দু’জন।

    গত ৭ আগস্ট ফর্টিস হেলথকেয়ারে প্রাক্তন প্রোমোটার শিবিন্দর সিংহের স্ত্রী পুলিশে অভিযোগে জানান, গত জুন মাসে আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র অফিসার সেজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এক ব্যক্তি। বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তার স্বামী শিবিন্দর সিংয়ের জামিন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তার স্বামী আর্থিক তছরুপের অভিযোগে জেলবন্দি ছিলেন তখন। কিন্তু আশ্বাস মতো কাজ না হলে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন। পরে তদন্তে চন্দ্রশেখরের নাম উঠে এসেছিল। পুলিশ জানতে পেরেছিল, জেলবন্দি অবস্থায় চন্দ্রশেখরই আইন মন্ত্রণালয়ের অফিসার সেজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং চন্দ্রশেখরের কথাতেই অভিযোগকারিণী অদিতির থেকে ২০০ কোটি টাকা নিয়েছিলেন লীনা।


    এইচেকআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ