ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ২ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দিল্লিতে ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে কোনো লেনদেন নয়, প্রশাসনের সতর্কবার্তা বরিশালে রেফকো ফার্মাসিউটিক্যালসে যৌন হয়রানির শিকার নারী শ্রমিককে শাস্তিমূলক বদলির প্রতিবাদে গেট মিটিং  বরিশাল মহানগর পুলিশের মাস্টার প্যারেড মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা  বরিশ‍াল বিভাগের তিন জেলার ক্রীড়া সংস্থার সদস্যদের সাথে আনোয়ারুল হক তারিনের শুভেচ্ছা বিনিময় রাহুলের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে হাজারও মানুষ, যোগ দিলেন নেহাও বাবুগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর মৃত্যু, আটক ২ আগৈলঝাড়ায় পোষ্ট মাস্টারের দায়িত্বে পোষ্টম্যান এই আনন্দ শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নয়, অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন সম্পৃক্ত হয়ে পরেন: জহির উদ্দিন স্বপন
  • নীল নদের ওপর বাঁধ, ইথিওপিয়াকে আরব লীগের হুঁশিয়ারি

    নীল নদের ওপর বাঁধ, ইথিওপিয়াকে আরব লীগের হুঁশিয়ারি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    নীল নদের ওপর বাঁধ নির্মাণ নিয়ে ইথিওপিয়াকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আরব লীগ। সংস্থাটির মহাসচিব আহমেদ আবুলগেইত বলেন, বাঁধ নির্মাণের জন্য ইথিওপিয়াকে চরম মূল্য দিতে হবে।

    প্রসঙ্গত, নীল নদের ওপর এক বিশাল জল বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করছে ইথিওপিয়া। নীল নদের ওপর নির্মাণাধীন ইথিওপিয়ার এই বাঁধটির নাম ‘গ্রান্ড ইথিওপিয়ান রেঁনেসা বাঁধ’। প্রতিবেশী সুদান এবং মিশরের সঙ্গে এটি নিয়ে বহু দিন ধরেই ঝামেলা চলছে ইথিওপিয়ার।

    বৃহস্পতিবার আরব লীগের মহাসচিব বলেন, এই বাঁধের কারণে দুটি আরব দেশ (মিশর ও সুদান) ধ্বংস হবে। ইথিওপিয়ার এই উদ্যোগের কারণে আরব বিশ্ব মর্মান্তিক পরিস্থিতির মুখোমুখি। এই বাঁধের কারণে ইরান, তুরস্ক ও ইসরাইল এই অঞ্চলে খবরদারি করার সুযোগ পাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    আরব লীগের মহাসচিব জানান, চলমান জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে ফিলিস্তিনের বিষয়ে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আরব দেশের নেতারা ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক সমাধান চাইবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    এই বাঁধ নিয়ে কেন বিতর্ক
    মিশর তার বেশিরভাগ পানির চাহিদা নীল নদ থেকে মেটায়। নীল নদ হচ্ছে আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী। যদি ইথিওপিয়া এই নদের ওপর বাঁধ নির্মাণ করে, তাহলে মিশরের পানির সরবরাহ শুকিয়ে যাবে এবং দেশটি প্রচন্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশংকা করা হচ্ছে। কারণ নীল নদের পানি প্রবাহের পুরো নিয়ন্ত্রণ তখন চলে যাবে ইথিওপিয়ার হাতে।

    শুধু মিশর নয়, নীল নদের ভাটিতে আরেকটি দেশ সুদানও এই প্রকল্প নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারাও পানি কমে যাওয়ার আশংকা করছে।

    ইথিওপিয়া ২০১১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছিল। তারা বলেছিল, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তাদের এই বাঁধ দরকার। প্রায় চারশো কোটি ডলার খরচ করে এই বাঁধ দেওয়া হচ্ছে। এটির নির্মাণ যখন শেষ হবে, তখন পশ্চিম ইথিওপিয়ার এই বাঁধ হবে আফ্রিকার বৃহত্তম জল বিদ্যুৎ প্রকল্প।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ